করোনা নিয়ন্ত্রণে সঠিক ভুমিকা নিয়ে দেশের সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর রাজ্য কেরালা ইতিমধ্যেই দেশের গন্ডী ছাড়িয়ে বিদেশে সুনাম কুরিয়েছে। কেরল মডেল সবার চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ইতিমধ্যেই। এবার কেরলের মুকুটে আরও একটি পালক যুক্ত হল। ‘টপ থিঙ্কার ২০২০’। ব্রিটিশ ম্যাগাজিন প্রস্পেক্ট-এর ‘টপ থিঙ্কার ২০২০’ বিভাগে শীর্ষস্থানে মনোনীত হলেন কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। ফলে আবারো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলল কেরল মডেলের। ২০ হাজার পাঠকের ভোটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৫০ জন ‘টপ থিঙ্কার ২০২০’ বেছে নিয়েছে এই ম্যাগাজিন। যাতে শীর্ষস্থান পেয়েছেন কেরালার বাম সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জ্যাকিন্ডা আরডেন।

ওই পত্রিকার বক্তব্য অনুসারে – কে কে শৈলজাই এই সম্মানের যোগ্য। জানুয়ারি মাসে যখন কোভিড-১৯ কে সকলে চীনের সমস্যা বলে মনে করছিলো সেই সময় থেকে উনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ মেনে গুরুত্ব দিয়েছিলেন টেস্ট, ট্রেস এবং আইসোলেশনে। এর আগে দ্য গার্ডিয়ান সংবাদপত্রে কে কে শৈলজাকে ‘করোনাভাইরাস স্লেয়ার’ এবং ‘রক স্টার হেলথ মিনিস্টার’ বলে অভিহিত করা হয়েছিলো।

২০১৮-র নিফা ভাইরাস দমনে তাঁর কৃতিত্ব এবং ২০২০-র করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেছে ওই ম্যাগাজিন। ওই ম্যাগাজিনের নিবন্ধে বলা হয়েছে – করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথম থেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন কে কে শৈলজা। যে কারণে এখনও পর্যন্ত কেরালায় করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যু সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত। ওই নিবন্ধে কেরালার সঙ্গে ব্রিটেনের তুলনা টেনে প্রশংসা করা হয়েছে কেরলের।

এর আগে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণের জন্য গত জুন মাসে রাষ্ট্রসংঘের পাবলিক সার্ভিস ডে-তে বক্তব্য পেশ করার জন্য কে কে শৈলজাকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন নেতৃত্বের সামনে কে কে শৈলজা এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন

21