গতকাল রাতে রায়গঞ্জ থানার পুলিশের হেফাজতে এক অভিযুক্তের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চাঞ্চল্য ছড়াচ্ছে জেলাজুড়ে। আজ বিকেলে মৃত ব্যক্তিকে নিজেদের দলের সক্রিয় কর্মী বলে ঘোষণা করে পুনরায় মৃতের ময়না তদন্তের দাবিতে দলের জেলা কার্যালয়ের সামনে অবরোধে বসেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। শহরের ব্যস্ততম রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করায় স্বভাবতই যানজট শুরু হলে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। পুলিশ সূত্রে খবর সম্প্রতি জাতীয় সড়কে এক বড়সড় ছিনতাইয়ের ঘটনার তদন্তে নাম উঠে আসে ইটাহারের নন্দনগ্রাম এলাকার এই যুবকের। সেই সূত্রে থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদের সময় হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তারবাবুরা। পুলিশ সূত্রে আরো খবর যে,ময়নাতদন্তে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের ফলে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে থানায় নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে তাদের কর্মীকে খুনের অভিযোগে রায়গঞ্জ থানার আইসির গ্রেপ্তারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ত্ব। আজ বিকেলে বিজেপির এই অবরোধ আন্দোলনে সামিল হন সদ্য পুত্রহারা মা গীতা রায়ও। বিজেপির অবরোধের জেরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় শহরে। তবে পুলিশ অবরোধ তোলার কোনও চেষ্টা করেনি। এছাড়া মৃতের মা গীতাদেবী মৃতদেহের পুনরায় ময়না তদন্তের দাবি জানিয়ে পুলিশ সুপার, মহকুমাশাসক ও রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এমএসভিপির কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন বলে খবর। আজই বিকেল ৫ টা নাগাদ সেই চিঠি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে জমা দেন গীতাদেবী। পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে ঘটনার তদন্ত চলছে।

15