৬৮তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান। যা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর ভাই মোদী জাতীয় শিক্ষানীতির উপর আলোচনা করেছেন নুতন জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে। তার কথায়, ‘খেলনা আর খেলার মধ্যে দিয়েই শিশুদের পড়াশোনার ব্যাপারে আরও আগ্রহী করে তুলতে হবে।’ এই কারণেই যে জাতীয় শিক্ষানীতিতে খেলার উপরে বিশেষ করে গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে, সে কথাও স্পষ্ট করেছেন মোদী। জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে অনেক কথা বললেও এই মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে যখন জয়েন্ট এন্ট্রান্স ও নিট পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে, তখন ‘মন কি বাত’-এ এ নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি তিনি। আর তা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাহুল গান্ধীর মতো বিরোধী নেতা। কিন্তু শুধু বিরোধীরা নয়, বরং প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে অনেক সাধারণ মানুষও।

সবাইকে অবাক করে দিয়ে এদিনের ‘মন কি বাতে’র ইউটিউব ভিডিয়োতে লাইকের চেয়ে বিশ গুনেরও বেশি ডিসলাইক পরেছে, এমনকি দেখা যায় ইউটিউবে প্রধানমন্ত্রীর পুরনো বেশ কিছু ‘মন কি বাত’-এর ভিডিয়োতে লাইকের থেকে ডিসলাইকের সংখ্যা অনেক বেশি। আর এদিনের মোদীর যে ‘মন কি বাত’-এর পোস্ট করে ইউটিউবে চ্যানেলে শেয়ার করে বিজেপি, তাতে রীতিমতো ডিসলাইকের বন্যা।

রাত ১১টা পর্যন্ত বিজেপির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে শেয়ার করা রবিবারের ‘মন কি বাত’-এ লাইক করেছেন যেখানে ১৩ হাজার মানুষ, ডি ডিসলাইক করেছেন ১ লক্ষ ৫৯ হাজার মানুষ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠতে শুরু করেছে তবে কি মোদীর জনপ্রিয়তা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সাধারণ ভাবে দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় মোদীর জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বিজেপির আইটি সেল সদা সক্রিয় থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজ করার ব্যাপারে আইটি সেল সব সময় ব্যাক আপ রেডি রাখে বলেই শোনা যায় তথাপি এই ঘটনা বিজেপির চিন্তা বাড়াতে যথেষ্ট। ওয়াকিবহাল মহলের মনে করছে, জেইই – নিট পরীক্ষা সহ উচ্চ শিক্ষায় মোদী সরকারের বেশ কিছু সিদ্ধান্তে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দেশের বহু ছাত্রছাত্রীই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। মনে করা হচ্ছে এদিন মোদীর ‘মন কি বাত’-এ ডিসলাইকের বন্যা সেই পরীক্ষার্থীদেরই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

16