ভারতী এন্টারপ্রাইজেসের আধিকারিক অখিল গুপ্তর লেখা বই সাম সাইজেস পিট অল বইটির উদ্বোধনে এসেছিলেন মিত্তল। তিনি বলেছেন, ১৬০ টাকার বিনিময়ে তাঁদের মাসে ১৬ জিবি ডেটা দিতে হচ্ছে। এটা ট্রাজেডি, এই টাকায় মাসে ১.৬ জিবি হতে পারে বা আপনাকে ঠিকমত ডেটার দাম চুকোতে হবে। তার মানে আমেরিকা বা ইউরোপে যেভাবে ৫০-৬০ মার্কিন ডলার চার্জ করা হচ্ছে তা নয় কিন্তু ২ মার্কিন ডলারে মাসে ১৬ জিবি ডেটা হতে পারে না। অ্যাভারেজ রেভেনিউ পার ইউজার বা এআরপিইউ অন্তত মাসে ৩০০ টাকা হতে হবে, তা হলে টিকবে ইন্ডাস্ট্রি। যদিও তাতেও তাঁদের পকেট থেকে দিতে হবে মাসে ১০০ টাকা করে।

আপনি যদি মূলত টিভি, সিনেমা দেখে ডেটা উড়িয়ে দেন, তার দাম তো আপনাকে দিতে হবে। বলেছেন মিত্তল।

চলতি অর্থবর্ষের এ বছরের ৩০ জুন শেষ হওয়া প্রথম ত্রৈমাসিকে এয়ারটেলের গ্রাহক পিছু আয় বেড়েছে ১৫৭ টাকা। গত ডিসেম্বরে এয়ারটেল তাদের ডেটার দাম বাড়ায়, তার জেরে এআরপিইউ-এ এই বৃদ্ধি। মিত্তল বলেছেন, করোনার এই কঠিন সময়ে টেলিকম সংস্থাগুলি দেশের সেবা করে চলেছে। এবার তাদের ৫জি, আরও বেশি অপটিক্যাল ফাইবার, সাবমেরিন কেবল এ সবে জোর দিতে হবে। টেলিকম ছাড়া অন্যান্য ব্যবসাও আরও বেশি ডিজিটাল হওয়া প্রয়োজন, তাঁর মন্তব্য। টিকে থাকতে হলে আগামী ৫-৬ মাস অ্যাভারেজ রেভেনিউ পার ইউজার ঠিকঠাক হতে হবে। ভারতের বাজারে এখনও জিনিসের দাম কত, তার মূল্য অনেক। আগামী ৬ মাসে গ্রাহক পিছু তাঁদের আয় ২০০ টাকা টপকে যাবে, ২৫০ টাকা হল আদর্শ। মিত্তল বলেছেন।

জুন ত্রৈমাসিকে ভারতী এয়ারটেলের লোকসান বেড়ে হয়েছে ১৫,৯৩৩ কোটি টাকা। এ নিয়ে টানা পঞ্চম ত্রৈমাসিক তারা লাভের মুখ দেখতে পেল না। ২০১৬-য় বাজারে এসেছে রিলায়েন্স জিও, তারা যেভাবে ডেটার দাম কম রেখেছে, তার সঙ্গে পাল্লা দিতে ভারতী এয়ারটেলকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

8