চিরঞ্জীব হালদার

এই রাস্তার নাম কুহক সরণি।
এর রন্ধ্রে রন্ধ্রে ভোলেভালা গল্পগাছা
দেহপটিয়সীদের দলবদ্ধ সঙ্গত।
যারা প্রায়ই ভুলে যায় তাদের বাল্যকাল বলে কিছু
ছিল না।
তাদের অতীত বলে কিছু ছিলো কিনা জিজ্ঞেস
করলে হেসে ওঠে আর হাসি থামতেই চায় না।
নিস্পাপ ধুধুুলের তরকারি ছাড়া
যাদের খাদ্য তালিকায় ময়ূরের বিরহগাঁথার
দই মশলাও জুটবেনা।
এই রাস্তায় মায়ের সম্ভাব্য আততায়ীর দেখা
মিলতেও পারে।

এমন প্রথা বিমুগ্ধ রাস্তায়
হাই তুলতে তুলতে দেখে নিচ্ছি
এই চ্যা-ভ্যাঁ শরীরে দু’ দন্ড অক্সিজেন দেওয়ার
নুন্যতম কাজটা সম্পন্ন করা যায় কিনা।
এখন চোখ না ফোটা পক্ষিশাবকের মত
সীমাহীন কিচিরমিচির করতেও পারে
এমন এক কুহক সরনি।
তার মাঝ বরাবর এক ভোকাট্টা ঘুড়ির পিছনে
হাঁপাতে হাঁপাতে ঢুকে পড়েছি
যেখানে ফকনার শেষ তামাকে টান দিতে দিতে
সরস্বতীর বুৎপত্তি জিজ্ঞেস করবেন।
এই ফাঁকে তক্কে তক্কে আছি
তার কাছ থেকে কলহপ্রবণ দুই বর্ণ সুষমার
অভিসন্ধি এই কুহক সরনির কোথায় গচ্ছিত রাখা আছে তার ওকালতনামা জেনে নেওয়া।

আপনি তো জানেন এখান থেকে উদ্ধারণপুর ঘাট বেশী দূরে নয়।

20