১৪/৮/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ

রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কর্মী বা সরকার পরিচালিত কোন স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক যদি সরকার বিরোধী কোন মন্তব্য করেন তাহলে সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।মিডিয়ায় সরকারের কোন নীতি বা কোন কাজের সমালোচনা করার আগে সংশ্লিষ্ট বিষয়ক সরকারী আধিকারিকের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোন শিক্ষক বা শিক্ষা কর্মী কোন সরকার বিরোধী মন্তব্য করলে তার বিরুদ্ধে বিধিলঙ্ঘনের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিছু দিন আগে মণিপুর সরকারের বিশ্ব বিদ্যালয় ও উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশক কে. দিয়ানা দেবী এমনই এক নির্দেশ দিয়েছেন সে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের সব কর্মী ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে।

১০ই আগষ্ট দেওয়া এই নির্দেশনামায় দিয়ানা দেবী বলেছেন, ” সরকারি কলেজের কিছু শিক্ষক কিছুদিন ধরেই সরকারের বেশ কিছু নীতি ও কার্যক্রম নিয়ে মিডিয়ায় প্রকাশ্যে মন্তব্য করছেন যার ফলে সরকারি দপ্তরের প্রতি মানুষের অবজ্ঞা বৃদ্ধি পেতে পারে। “
তিনি আরো বলেছেন রাজ্যের কোন নীতি ও কার্যক্রম বিষয়ে কোন ধরনের মন্তব্য মিডিয়ায় করার আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আধিকারিকদের কাছে নির্দিষ্ট অনুমতি নিতে হবে তা না হলে কেন্দ্রীয় সরকারের কেন্দ্রীয় সিভিল সেবা কোড (বর্গীকরণ, নিয়ন্ত্রণ ও আপীল নিয়ম,১৯৬৫)অনুসারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

উল্লেখ্য কিছু দিন ধরেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর না করায় মণিপুর সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছে ফেডারেশন অফ গভর্ণমেন্ট কলেজ টিচার্স
অ্যাসোসিয়েশন এবং মণিপুর কলেজ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন। মণিপুর সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে সে রাজ্যের এই দুই শিক্ষক সংগঠন।

এই আন্দোলনকারীদের বার্তা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে, “মিডিয়ায় কোন ধরনের সরকার বিরোধী কথা বা সরকারের নীতির বিরোধিতা করে এমন কোন কাগজপত্র বা নথি প্রকাশ করা শাস্তি যোগ্য অপরাধ বলে গৃহীত হবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে আন্দোলনকারী শিক্ষক সংগঠন ফেডারেশন অফ গভর্ণমেন্ট কলেজ টিচার্স
অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এন. সমরেন্দ্র জানিয়েছেন যে, করোনা
আক্রমণের কারণে আন্দোলন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।সপ্তম বেতন কমিশনের প্রস্তাবিত বেতন চালু করেনি সরকার।তবে এখন আন্দোলন পুনরায় শুরু হয়েছে।
আমাদের বারবার অনুরোধেও সরকার আমাদের দাবি দাওয়ার প্রতি কোন ভাবে কর্ণপাত করেনি। তাই ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলনের দিকে এগোবো আমরা । এবং যদি আমাদের কথায় সরকার কর্ণপাত না করেন তাহলে আমরা সার্বিকভাবে কাজে যোগদান দেয়া থেকে বিরত থাকব।

18