সাধারণে মানুষের কাছে আরও উন্নত সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে কিছু ক্ষেত্রে আধার অথেনটিকেশনের অনুমতি দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য প্রয়োজনে যে বিধি আছে তাতে বদল আনা হবে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY)। সরকারি আধিকারিকদের দাবি, এর ফলে একদিকে যেমন বহু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ উন্নত পরিষেবা পাবেন, তেমনই সরকারি অর্থের অপচয় বন্ধ করা যাবে।
আধারের নিয়মে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে চলেছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে তা বিশদে ব্যখ্যা করেছেন গোটা প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ এক সরকারি আধিকারিক। উদাহারন হিসেবে তিনি বলেছেন, আগামী দিনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের রিনিউ, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের ঠিকানা পরিবর্তন ইত্যাদির জন্য MeitY-র কাছে আধার অথেনটিকেশনের অনুমতি চাইতে পারে পরিবহন মন্ত্রক। এতে সুবিধা কী হবে? বর্ষীয়ান ওই আমলার ব্যখ্যা, ‘এর ফলে স্পর্শহীনভাবে লার্নিং লাইসেন্সের আবেদন, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের ঠিকানা পরিবর্তন বা লাইসেন্স রিনিউর মতো কাজ করা যাবে। এক্ষেত্রে আবেদনকারীকে আর ব্যক্তিগতভাবে RTO অফিসে হাজিরা দিতে হবে না। আধার অথেনটিকেশনই যথেষ্ট। আজকের এই করোনা সংক্রমণের মতো পরিস্থিতিতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
এ ছাড়া দেশে অনেক জাল গাড়ির লাইসেন্স আছে বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। এই আধার অথেনটিকেশন ব্যবস্থা চালু হলে ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্সগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলি বাতিল করা সহজ হবে বলেও সরকারের দাবি।

নয়া নিয়মে কী ভাবে এই অথেনটিকেশন করা হবে? তার সম্ভাব্য কিছু পদ্ধতির ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে যে মোবাইল নম্বর বা ই-মেইল আইডি আধারের সঙ্গে যুক্ত সেখানে ওয়ান-টাইম পিন পাঠানো হবে। তা ছাড়া ফিঙ্গার প্রিন্ট বা iris ভিত্তিক অথেনটিকেশনের সুযোগ থাকবে। যদিও এই অথেনটিকেশনের আগে ব্যবহারকারীর অনুমতি প্রয়োজন।

21