ওয়েব ডেস্ক আগস্ট ,১,২০২০: “উনিশটিবার ম্যাট্রিকে সে ঘায়েল হয়ে থামল শেষে”। অধ্যবসায়ের নজির হিসেবে এতদিন সুকুমার রায়ের ‘সৎপাত্র’ ছিলেন এগিয়ে। উনিশটিবার তৎকালীন ম্যাট্রিক অর্থাৎ দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় ফেল করে হাল ছেড়েছিলেন এই সৎপাত্র। কিন্তু অধ্যবসায়ের ক্ষেত্রে এক নতুন নজির গড়লেন হায়দ্রাবাদের ৫১ বছর বয়সী মোহাম্মদ নুরুদ্দিন।

ঘায়েল হয়েছিলেন ৩৩ বার লাগাতার। কিন্তু হাল ছাড়েননি। অবশেষে এবার মিলল সাফল্য। করোণা অতিমারী শাপে বর হয়ে দাঁড়ালো তার ক্ষেত্রে। ১৯৮৭ সাল থেকে একটানা ক্লাস টেন-এর পরীক্ষা দিয়ে চলেছেন হায়দ্রাবাদের নুরুদ্দিন। কিন্তু পাস করতে পারেননি। কেউ তাঁকে বিকারগ্রস্থ বলত কেউবা বিদ্বান। কটু কথা বলতে ছাড়েনি প্রতিবেশীরা। হাল ছাড়ার পাত্র নয় নুরুদ্দিন।সকলকে সে সাফ জানিয়ে দেয় পাস না করা পর্যন্ত হাল ছারছিনা। শেষমেষ সবুরের ফল মিঠা-ই হলো তার ক্ষেত্রে।

 প্রসঙ্গে নুরুদ্দিন বলেন, ‘এবার করোনা বাঁচিয়ে দিল। আমি পাস করেছি। আসলে সরকার এবার পরীক্ষায় ছাড় দিয়েছে। ১৯৮৭ সাল থেকে লাগাতার ক্লাস টেনের পরীক্ষা দিচ্ছি। আমি ইংরেজিতে খুব কাঁচা। তাই এত বছর ধরেও পাস করতে পারছিলাম না। তবে, এই বছর আগেই জানানো হয়েছিল এবার এই পরিস্থিতিতে সবাইকে পাস করিয়ে দেওয়া হবে। তাই আমিও এই সুযোগে পাস করে গেলাম। আমাকে অনেকেই ক্লাস টেন ফেল বলতো। তাই আমি ঠিক করেছিলাম পাস করেই

17