৩০/৭/২০২০,ওয়েবডেস্কঃজাতীয় শিক্ষানীতিতে হল বেশকিছু বড়োসড়ো রদ বদল।বুধবারই পাস হয়ে গেলো কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় নতুন শিক্ষানীতি। এবার থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পঠন-পাঠনে মাতৃভাষা কিংবা স্থানীয় ভাষাতেই শিক্ষা প্রদান করতে হবে। এর সাথেই সর্বশিক্ষা অভিযানের অন্তর্গত করা হয়েছে তিন থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র-ছাত্রীদের। ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়াদের শিক্ষানবিশ হিসেবে বৃত্তিমূলক শিক্ষার পাঠ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে এই শিক্ষানীতিতে। পাশাপাশি টেন প্লাস টু স্কুল শিক্ষায় বদল এনে চার বছরের স্নাতক পাটের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক নতুন শিক্ষানীতি—

১)এবার থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত মাতৃভাষা কিংবা স্থানীয় ভাষায় পঠনপাঠন আবশ্যিক। প্রত্যেক পর্যায়ে সংস্কৃত পাঠ করানো হবে মাধ্যমিক স্কুলগুলিতে। এর সাথেই থাকবে বিদেশি ভাষার প্রশিক্ষণ।

২)টেন প্লাস টু শিক্ষাব্যবস্থাকে ভাগ করা হয়েছে v+iii+iii+iv পর্যায়ে। ১২ বছরের এই স্কুল জীবনে ফ্রী স্কুল হিসেবে আরও তিন বছর যুক্ত করা হয়েছে যাকে অঙ্গনওয়াড়ি ধাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

৩)এবার থেকে আর প্রত্যেক বছরের বার্ষিক পরীক্ষা নয়। শুধুমাত্র তৃতীয়, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে বার্ষিক পরীক্ষা দিতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। বাকি শ্রেণীতে পাসের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ দক্ষতা ও বুদ্ধির বিকাশকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

৪)যদিও আগের মতোই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর বোর্ডের পরীক্ষা হবে। এই পরীক্ষার মূল্যায়নে পরখ নামে একটি নতুন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৫)পাঠক্রমের চাপ কমিয়ে পড়ুয়াদের সুশৃংখল ও বহুভাষিক হিসেবে গড়ে তোলাই এই নয়া শিক্ষানীতির লক্ষ্য।

৬)নয়া শিক্ষানীতির বক্তব্য অনুসারে IIT গুলি প্রয়োজনে আগামী কুড়ি বছরের মধ্যে কলা বিভাগকে পঠন-পাঠনের অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

৭)সর্বাধিক চার বছরের স্নাতকোত্তর পাশ থাকলেও প্রয়োজনে এক বা দু বছরের মাথাতেই উচ্চ শিক্ষায় ইতি টানতে পারেন ছাত্র-ছাত্রীরা।এক্ষেত্রে এক বছরের বৃত্তিমূলক সার্টিফিকেট আর দুই বছরের ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট পাবেন তাঁরা।

৮)এমফিল-এর কোর্স অনিয়মিত করা হবে।কেন্দ্রীয় ভাবে তৈরি করা হবে উচ্চ শিক্ষা পর্ষদ। ওই পর্ষদই উচ্চশিক্ষার বিষয় নিয়ন্ত্রণ করবে। এর পাশাপাশি আইন ও মেডিকেল কলেজের বিষয়ক মধ্যস্থতা করতে পারবে এই পর্ষদ। মূলত চারটি ধাপে কাজ করবে এই পর্ষদ।

26