১৫/৭/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ শেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জেলায় এখনো পর্যন্ত নতুন সংক্রমিত হয়েছে পাঁচজন। এদের মধ্যে তিনজন রায়গঞ্জ মিউনিসিপ্যালিটি এলাকার। প্রসঙ্গত রায়গঞ্জ শহরের ১৪নম্বর ওয়ার্ডের ডাক্তার দম্পতির ছেলে যিনি নিজেও ডাক্তার তিনি করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। ১৭নম্বর ওয়ার্ডের একজনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসছে। গতকাল বন্দরে ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করোনা পজিটিভ রোগীকে চিকিৎসার জন্য কভিড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রায়গঞ্জের এক বেসরকারি ব্যাংকের কর্মীও আজ করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এখানে বলে রাখা দরকার ওই ব্যাংকের আরো তিন জন কর্মী এর আগে করোনা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রায়গঞ্জের মিউনিসিপ্যালিটির চেয়ারম্যান সন্দীপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, আজ থেকে রায়গঞ্জে লকডাউন শুরু হয়েছে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে সজাগ করার চেষ্টা চলছে। এবং জনসাধারণের কাছে বারবার করে অনুরোধ করা হচ্ছে বিনা প্রয়োজনে যেন কেউ বাইরে না বের হয়। জেলার অন্যদিক ইসলামপুরের চোপড়া থানায় এবার থাবা বসিয়েছে করোনা। চোপড়া থানার আইসির গাড়ির ড্রাইভার এবং একজন এস আই ও পজিটিভ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে জেলায় মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪৮৫, স্বস্তির খবর এর মধ্যে ৩৫০ জন সুস্থহয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। জেলায় উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যা প্রায় ৯১ শতাংশ আজকের হিসেবে। চিকিৎসাধীন রোগীদের চিকিৎসা চলছে রায়গঞ্জ করোনা হাসপাতাল ও ইসলামপুর করোনা হাসপাতালে।

49