ওয়েব ডেস্ক জুলাই ৯,২০২০: করোনা আক্রমনের আবহে গভীর সংকটে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গণমাধ্যম কর্মীরা। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন মিডিয়া সংস্হা ক্রমাগত সংবাদ কর্মীদের ছাঁটাইয়ের পথে হেঁটেছে। এখনও পর্যন্ত প্রায় এক হাজারেরও বেশি সাংবাদিক কাজ হারিয়েছেন দেশে। এদের মধ্যে দেশের বিভিন্ন নামী বৈদ্যুতিন ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মীরাও রয়েছেন যাদের কাজ থেকে অন্যায় ভাবে ছাঁটাই করা হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশকেই আবার ওয়ার্কিং জার্নালিস্ট-এর সুবিধা থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী ৬ মাসে ৩০ হাজারের বেশি গণমাধ্যম কর্মী চাকরি হারাতে চলেছেন। শুধু তাই নয়, সংবাদ কর্মীদের বেতনও ১০ থেকে ৫০ শতাংশ কাটছাঁট করতে চলেছে সংবাদ সংস্হাগুলো।

এই সংকটের সময় সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার লড়াইতে নেমেছে ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স অফ জার্নালিস্টস, কেরালা ইউনিয়ন অফ ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস, মাদ্রাজ ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টস, বৃহন্মুম্বই ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টস এবং দিল্লি ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টস।

উল্লেখ্য, সাংবাদিকদের ওপর এধরনের আচরণের বিরোধিতা করে গত ৯ই জুলাই দিনটিকে সংবাদিকতা ও সংবাদিকদের অধিকারের জন্য জাতীয় প্রতিবাদ দিবস হিসাবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সংগঠনের সদস্যরা।

আজ, বৃহস্পতিবারও দেশজুড়ে অনলাইন প্রতিবাদে সামিল হবেন দেশের সমস্ত সাংবাদিকরা। লকডাউনের নিয়ম মেনেই এমন শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কেরল ইউনিয়ন অফ ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস ৯ই জুলাই দিনটিকে “প্রেস রাইটস ডে” হিসেবে পালন করে।

দিল্লি ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টের সাধারণ সম্পাদক সুজাতা মোদক জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও বেশিরভাগ রাজ্য সরকার এই বিষয়টি নিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। বৃহন্মুম্বই ইউনিয়ন অফ জার্নালিস্টসের সাধারণ সম্পাদক আই কে জৈন জানিয়েছেন, মিলিত প্রতিবাদ করা ছাড়া এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে লড়ার আর কোনও পথ নেই।রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক যে কো লড়াই আন্দোলনের খবর যারা এতদিন করে এসেছেন তাদের বিরুদ্ধেই এখন শুরু হয়েছে অন্যায় অবিচার।তাই নিজেদের অধিকার রক্ষার লড়াই লড়তে এখন রাস্তায় নেমেছেন অন্যায়ভাবে কাজ হারানো সাংবাদিকরা।

8