৮/৭/২০২০,ওয়েবডেস্ক: গত ডিসেম্বরে বেসরকারি হাতে ১০৯টি রুটে ১৫১টি ট্রেন চালানোর দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদী সরকার। সেই কারনে প্রথম ধাপে ট্রেনগুলি চালাতে কোন বেসরকারি সংস্থাগুলি আগ্রহী তা জানতে চেয়েছিল রেল মন্ত্রক। সরকারের এই পদক্ষেপ রেলকে সরাসরি বেসরকারিকরণের দিকে ঠেলে দিলো বলে সরব হয়েছিলো তখন বিরোধীরা।এরপর শুরু হয় আন্দোলন। রেলের কর্মী সংগঠন গুলো শুরু করে জোরালো প্রতিবাদ আন্দোলন।

অন্য দিকে রেল মন্ত্রক সূত্রে দাবি করা হয় , বর্তমানে যে আধুনিক কোচ রয়েছে সেই ধরনের কামরা ব্যবহার হবে বেসরকারি হাতে যাওয়া ট্রেনগুলিতে। ট্রেনগুলি সর্ব্বোচ্চ প্রতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে যাবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে ১৬টি কামরা। এর ফলে রেলের ভাঁড়ারে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা আসবে। যে রুটগুলি লাভজনক এবং যে রুটে যাত্রীদের চাহিদা রয়েছে সেই রুটগুলিতেই ওই বেসরকারি ট্রেন চালানো হবে। ভাড়া ঠিক করার দায়িত্বে থাকবে বিনিয়োগকারী সংস্থা গুলোর হাতেই। সূত্রের মতে, ওই ট্রেনগুলিতে সম্ভবত কোনও ছাড় পাওয়া যাবে না।১৫১টি ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার প্রশ্নে গত ডিসেম্বর মাসে ছাড়পত্র দেয় নীতি আয়োগ। আগামী বছর থেকেই বেসরকারি ট্রেন পরিষেবা শুরু হওয়ার কথা। ওই ট্রেনগুলি চলবে দেশের ১২টি ক্লাস্টার বা রুটে। ওই তালিকায় রয়েছে হাওড়া-দিল্লি, হাওড়া-মুম্বই, হাওড়া-চেন্নাই, দিল্লি-মুম্বই ছাড়াও একাধিক স্বল্প দৈর্ঘ্যের রুটও। এছাড়াও পরবর্তী ধাপে কলকাতা ও মুম্বইয়ের লোকাল ট্রেন পরিষেবাও বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে রেলের।

প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী জানান, এত দিন রেলে ধনী-দরিদ্র সকলেই চড়তে পারতেন। এ বার থেকে বেসরকারি ট্রেনে কেবল ধনীরাই চাপতে পারবেন। রেলের এই বেসরকারি করনে সমস্যায় পরতে চলেছে লক্ষ লক্ষ দেশবাসী।

29