৭/৭/২০২০,ওয়েবডেস্কঃকরোনা ভাইরাসের কারনে বহুদিন বন্ধ স্কুল।ছাত্র ছাত্রীদের মিডডে মিলের চাল, ডাল আলু তুলে দেওয়াবহচ্ছে অভিভাবকদের হাতে।এবার চাল আলুর সাথে দেওয়া হবে প্রশ্নপত্র। রাজ্য থেকেই এনিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নদীয়া জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ থেকে সমস্ত এসআইদের মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে। যদিও একে মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বলা হচ্ছে।
করোনা সংক্রমণের জেরে এখনই স্কুল খোলার কোনো লক্ষন নেই। তাই রাজ্য সরকার এমাসেও মিডডে মিল পৌঁছে দিতে বলেছে। জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় এতদিন চাল-আলু দেওয়া হয়েছে। এবার নির্দেশ এসেছে, ২৫০গ্রাম ডাল ও ৫০মিলিমিটার স্যানিটাইজার দেওয়া হবে। একইসঙ্গে অভিভাবকদের হাতে সব ক্লাসের সমস্ত বিষয়ের প্রশ্নপত্রও তুলে দেওয়া হবে। সোমবার থেকে এনিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছেন বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ছাত্রছাত্রীরা বাড়িতে নিজের বিষয়ভিত্তিক খাতায় উত্তর লিখে স্কুল খুললে তা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে জমা দেবে। 
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(প্রাথমিক) সুকুমার পসারি বলেন, রাজ্য থেকে চাল, আলু দেওয়ার সময় মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক বা প্রশ্নপত্রও অভিভাবকদের হাতে তুলে দিতে বলা হয়েছে। দপ্তরের পোর্টাল থেকেই সবকটি প্রশ্নপত্র ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে। তা প্রিন্ট করে প্রত্যেক অভিভাবককে দিতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি এবার ডাল, স্যানিটাইজারও দেওয়া হবে। নির্দেশমতো ২৫০গ্রাম করে ডাল দেওয়া হবে। 
এছাড়া এর পাশাপাশি পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের খাতাও দেওয়া হবে।  

12