জাতীয় সড়ক প্রকল্পে ব্ল্যাকলিস্টেড চৈনিক সংস্থা

ওয়েবডেস্ক,জুলাই ২,২০২০: ভারত-চীন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করী জানালেন, যৌথ উদ্যোগের কোনো জাতীয় সড়ক প্রকল্পে চীনা সংস্থাকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হবে না। শুধু তাই নয়, যে যে প্রকল্প যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছিল, সেখান থেকেও বাতিল করে দেওয়া হবে।
গড়করি বলেন, দেশের ক্ষুদ্র, ছোটো এবং মাঝারি সংস্থাগুলিতে (MSME) চীনা বিনিয়োগ ঠেকানোর যাবতীয় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গডকরি দেশবাসীকে জানালেন, ‘অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রেও যাতে টাকা ঢালতে না পারে চীন, সেদিকেও খেয়াল রাখবে সরকার। রাস্তা বানানোর জন্য চীনা সংস্থা যদি যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব নিয়েও আসে, তাও আমরা অনুমতি দেব না।’  প্রসঙ্গত, নীতীন গড়কড়ি মাঝারি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মন্ত্রকের দায়িত্বেও আছেন। তিনি জানান, এই ক্ষেত্রেও কোনও চীনা সংস্থাকে গাঁটছড়া বাঁধতে দেওয়া হবে না।

গালওয়ান সীমান্তে ভারত চীনের দ্বন্দ্বের ফলে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সীমান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে 2016 সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে ভারত এবং গত বছর বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক ও করা হয়।

তবে চীনের আগ্রাসী মনোভাবের পরিবর্তন আনতে হাতে না মেরে ফাতেমার পথে হাঁটতে শুরু করেছে ভারত সরকার। ডিজিটাল স্ট্রাইক শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ৫৯ চৈনিক যার প্রত্যুত্তরে আবার চীন সরকার তাদের দেশে নিষিদ্ধ করেছে ভারতীয় টিভি চ্যানেল। এমতাবস্থায় গডকরির সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

144