অল্প দামে একগুচ্ছ সুবিধা নিয়ে এসে গেলো দেশের প্রথম সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বাইক ‘মিসো’।

করোনাভাইরাসের প্রকোপে সারা বিশ্বে নাজেহাল অবস্থা মানুষের। সোশ্যাল ডিস্টেন্স মেনে চলতে গিয়ে ঘর থেকেই বের হতে ভয় পাচ্ছে অনেকেই। কিন্তু এভাবে কতদিন বন্দী রাখবে নিজেকে? আনলক শুরু হওয়ায় এক এক করে খুলছে সমস্ত কর্মক্ষেত্র। অগত্যা না চাইলেও বের হতেই হচ্ছে আপনাকে। সংক্রমণ এড়াতে ট্রেন-বাস যাত্রা ভুলেছেন অনেকেই। আপন করে নিয়েছেন ধুলো জমা সাধের সাইকেলটিকে। অনেকে আবার অফিস যাবেন বলে সাইকেলের দোকানেই ছুট দিয়েছেন। কেউ কেউ বাইকও কিনে নিয়েছেন। কারণ এই অতিমারি ভাইরাসের আক্রমণে তটস্থ বিশ্বে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংই আসল ওষুধ। তবেই জব্দ হবে সেই করোনাভাইরাস। তাই দেশের মানুষের কথা মাথায় রেখেই জেমোপাই ইলেকট্রিক (ভারতের ইলেকট্রিক স্কুটার প্রস্তুতকারক সংস্থা) গত মাসেই তাদের নতুন ই-স্কুটারের একটা ঝলক সামনে নিয়ে এসেছিল। মাস ঘুরতেই দেশের প্রথম সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বাইক নিয়ে হাজির জেমোপাই ইলেকট্রিক। সেই মিনি ই-স্কুটারের নাম রাখা হয়েছে মিসো (Miso)। দুর্ধর্ষ এই ই-স্কুটার নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেখে নেওয়া যাক।

এই মুহূর্তে দুটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে জেমোপাই মিসো। এই মিনি ই-স্কুটারে রয়েছে একটি মাত্র সিট। তবে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের কথা মাথায় রেখে যেমন এই ই-স্কুটারে একটি মাত্র সিট রাখা হয়েছে, তেমনই মালপত্র বহন করার জন্য রয়েছে একটি ক্যারিয়ারও। সেই ক্যারিয়ারে ১২০ কেজি অবধি ওজনের যে কোনও বস্তু বহন করা যেতে পারে। আর অন্য ভ্যারিয়েন্টস একই, তবে সেখানে কোনও ক্যারিয়ারের অপশন নেই।

কেবলই ড্রাইভারকেই নিয়ে চলবে জেমোপাই মিসো।অর্থাৎ একটি মাত্র ব্যক্তিই। জেমোপাই মিসো ই-স্কুটারে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি রয়েছে। যার একটি 48v এবং অপরটি 1KW। এক বার ফুল চার্জ দিলে ৭৫ কিলোমিটার অবধি ছুটতে পারে দুর্দান্ত এই মিনি স্কুটার। ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে দৌড়নোর ক্ষমতা রাখে ছোট্ট মিসো। সংস্থার দাবি, মাত্র দু’ঘণ্টাতেই ৯০ শতাংশ অবধি চার্জ হয়ে যায় আশ্চর্য এই বাইকের।

232