করোনার প্রকোপ, লকডাউনে ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুর জেলার মানুষের বিপর্যস্ত অবস্থা। এর ওপর গত কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে বিভিন্ন নদীর জল যে ভাবে বাড়ছে তাতে বন্যার আশঙ্কায় দিন গুনছে মানুষ।

জেলার করনদিঘী ব্লকের দোমহনা অঞ্চলে শুধানী নদীর জল প্লাবিত হয়ে বেশ কিছু বাড়ি তে জল ঢুকেছে বলে খবর। প্রায় ২৫০ টি পরিবার বিপর্যস্ত বাড়িতে জল ঢুকে। এদের অনেকেই কাছে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে বা বাড়ির ছাদে ত্রিপল টাঙিয়ে থাকতে শুরু করেছে। যদিও এখন পর্যন্ত বিডিও অফিস বা সরকারের তরফ থেকে কোনও খোঁজ খবর নেওয়া বা সাহায্য করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় নি বলে জানিয়েছেন গ্রামের মানুষ।

রায়গঞ্জ ব্লকে নাগর নদীতেও জল বেড়ে গিয়েছে যদিও এখনো বিপদ সীমার নিচেই রয়েছে জল স্তর। বিগত বন্যায় নাগরের আশেপাশে বেশ কিছু গ্রাম চড়ম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। ইতিমধ্যেই জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাড়ি সরিয়াবাদ, শীত গ্রামের ভাঙাপাড়া, কৃষ্ণমুড়ি, শিয়ালতোড় গ্রাম এছাড়াও বাহিন ও গৌরি অঞ্চলের কিছু গ্রাম বৃষ্টির জলে প্লাবিত হয়েছে। এই সব গ্রাম বিগত বন্যায় ডুবে গিয়েছিল। ফলে নুতন করে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। শতাধিক পরিবার বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর।

রায়গঞ্জের কুলিক নদীর জলও বেশ বেড়েছে। কুলিকের আশেপাশে কয়েকটি গ্রামে জল জমা হয়েছে। করোনার প্রকোপের মধ্যে যদি বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয় তবে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ ঠেকানো খুব মুশকিল হয়ে যাবে। স্বাভাবিক মানুষ থেকে প্রশাসন সবাই দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বলে জানানো হয়েছে।

12