২৬/৬/২০২০,ওয়েবডেস্ক: রাজ্যে উচ্চপ্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে পরীক্ষা সাত বছর পার হয়ে যাবার পরেও নিয়োগ হলো না।বারবার মামলার। ফলে তৈরি হয়েছিল জটিলতা। এবার বাধ্য হয়ে কয়েক হাজার চাকরি প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগের দাবিতে করোনা আবহ ভার্চুয়াল অনশনে বসেছেন।
উল্লেখ্য, এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে এর আগে আদালতে মামলাও করেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই মামলায় গেজেটে বা নিয়োগ বিধি মানা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এভাবেই গেজেট তথা নিয়োগ বিধি লঙ্ঘণের অভিযোগে বারেবারে থমকে গেছে আপার প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগ পক্রিয়া। বহু আন্দোলন ও আইনী লড়াইয়ের পর আদালতের নির্দেশে প্রকাশিত হয়েছে মেধা তালিকা। কিন্তু এই মেধা তালিকাতেও দেখা গেছে বিস্তর অসঙ্গতি। অভিযোগ, ইন্টারভিউতে অংশ নেওয়া সব প্রার্থীদের নাম মেধা তালিকায় নেই। টেট ও অ্যাকাডেমিক স্কোরের ক্ষেত্রে ভুরি ভুরি অনিয়ম। আবেদনে নিজেকে অপ্রশিক্ষিত ঘোষণা করা প্রার্থীকেও প্রশিক্ষিত দেখিয়ে প্রশিক্ষণের নম্বর দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয় ও ক্যাটাগরী ভিত্তিক অনুপাত মানা হয়নি বলেও চাকুরি প্রার্থী আন্দোলনকারীদের অভিযোগ। নিয়োগ বিধিকে মান্যতা দিয়ে অসঙ্গতি দূর করে মামলা মিটিয়ে দ্রুত নিয়োগের দাবীতে লকডাউনের মধ্যেই ৫ই জুন স্কুল সার্ভিস কমিশনে “গেজেট পাঠাও গেজেট পড়াও” শীর্ষক গণ ইমেল কর্মসূচী পালন করে এই সংগঠন। ৮ জুন রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, রেজিস্টার জেনারেল ও আইনমন্ত্রীর কাছে নিয়োগপ্রার্থীদের স্বাক্ষরিত “অনলাইন পিটিশন” জমা করে তারা। তার কোনো সদুত্তর না পাওয়ায় আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আবারও ২৪ জুন আপার প্রাইমারী সংগ্রামী মঞ্চের ডাকে ভার্চুয়াল অনশণ মঞ্চে হাজারো নিয়োগপ্রার্থী লাইভ স্ট্রিমিং এর মাধ্যমে একদিনের গণ অনশনে সামিল হয়েছিলেন ।

12