বৈষ্ণব হয়ে চলো

তপন রায়

    

চুক্তিটা করা ছিলো বড়শিতে গাঁথা ছিলো

ভরা লকডাউনে  হলো তাই বিয়েটা

বাজনা বাতিল হলো প্রীতিভোজ ছাঁটা হল

মাস্ক দিয়ে ঢাকা ছিলো দুজনার মুখটা

বরযাত্রী তালিকায় নাম ছিলো যার যার

নিভৃতবাসে তারা  বিভিন্ন শহরে 

সংসার ছারখার  খাদ্যের হাহাকার

তারোপরে রোগ ভয় মারে প্রতি প্রহরে

মুখপোড়া পাখীটার ঘ্যানঘ্যান দিনরাত

খোকা হোক খুকি হোক 

                        বোঝেনাযে দুঃখ শোক

সামাজিক ডিসটান্ট থাকবেযে কতকাল

এসময়ে ছোঁকছোঁক মন্দযে বলে লোক

দিন যায় মাস যায় অভাবের তাড়নায়

পুরো গ্রাম ঝোলা নিয়ে 

                        প্রতিবেশী গ্রামে যায়

তারাও তেমনি কিছু ভাবছিলো আগু পিছু

চলো যাই একসাথে শহরের আঙিনায়

শহরেরও শঙ্কা বাজে বুঝি ডঙ্কা

সবকাজ হয় যদি একসাথে বরবাদ

কোথা থেকে আসবে এরপরে টঙকা

রাজাগুলি হাত তুলে বলে মিটে গেছে সাধ

স্বর্ন সিংহাসনে  হয়নাগো কার লোভ

এত কাঁটা রেখেছিলে জানিনাতো বল্লভ

প্রজারা ব্রজে ব্রজে করে যদি মাধুকরী 

বৈষ্ণব হয়ে চলো আমরাও হাত ধরি।

11