ট্রাম্পের বিদ্বেষমূলক মন্তব্য ঘিরে মতানৈক্য ফেসবুক কর্মকর্তাদের

মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুকে ঘিরে প্রতিবাদী মার্কিন জনতা। কোন কোন জায়গায় আন্দোলন খানিকটা হিংসাশ্রয়ী হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উস্কানিমূলক পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেন নি ফেসবুকের কর্ণধার মার্ক জুকারবার্গ। যা ভালো চোখে দেখেন নি ফেসবুকের কর্মকর্তাদের একাংশ।

মৃত্যুর পরবর্তী বর্ণবিদ্বেষী বিরোধী আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া হিসাবে ট্রাম্প লেখেন, “লুটপাট শুরু হলেই গুলি করাও শুরু হয়”। এই মন্তব্যের পর সোশাল মিডিয়ায় ঝড় উঠে যায়। ফেসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী টুইটার এই পোস্টটিকে আড়াল করে দিয়েছে। পাশাপাশি তারা জানিয়েছে, এই শব্দের ব্যবহার উস্কানিমূলক, প্রতিহিংসা ছড়িয়ে দিতে পারে। যা পরিষেবার বিধি লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে ফেসবুক কোনও পদক্ষেপ নেয় নি। শুক্রবার জুকারবার্গের একটি পোস্টে একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে ফেসবুকের প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়েছে, “আমরা মনে করি সরকার বলপ্রয়োগ করার পরিকল্পনা করছে কিনা, তা জনগণের জানা উচিত।” কিন্তু এতে ফেসবুকের একাধিক কর্তাব্যক্তি তীব্র দ্বিমত পোষণ করেছেন।

ফেসবুকের পোর্টাল প্রোডাক্ট বিভাগের ডিজাইনের প্রধান অ্যান্ড্রু ক্রো লিখেছেন, “হিংসা এবং উদ্বেগ ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করা গ্রহণযোগ্য নয়, তা সে আপনি যেই হন, এবং খবর যাই হোক।”

ফেসবুক নিউজফিডের প্রোডাক্ট ডিজাইনের পরিচালক রায়ান ফ্রেইটাস টুইট করে বলেছেন, “মার্ক ভুল করছেন, এবং আমি তাঁর মন পরিবর্তন করার চেষ্টা করব। “

118