আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না এটিই ছিল জর্জ ফ্লয়েডের শেষ কথা। এক পুলিশ আধিকারিক তার ঘাড়ের উপর হাঁটু মুড়ে চেপে ধরেছিলেন তাকে। তিনি জানাচ্ছিলেন বাঁচার আকুতি। বলছিলেন আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না।কিন্তু ছেড়ে দেয়া হয়নি তাকে। ফলে মৃত্যু হয় জর্জ ফ্লয়েডের।আর এই মৃত্যুর পর থেকেই আমেরিকা জুড়ে শুরু হয়েছে প্রবল বিক্ষোভের।ন্যাশনাল গার্ড নামিয়ে, রাবার বুলেট ছুঁড়ে বিক্ষোভ দমন করার চেষ্টা করেছেন মিনিয়াপোলিসের গভর্নর।কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে দোকানপাট,বাড়িঘর। বিক্ষোভের আগুনে লস অ্যাঞ্জেলসের অবস্থাও একই রকম। সেখানেও বিক্ষোভের আগুনে পুড়ছে শহর। রবারবুলেট ছুঁড়ছে পুলিশ। কিন্তু বিক্ষোভ থামানো যায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউস থেকে যখন ঘোষণা করছিলেন যে, ‘বিক্ষোভ না থামালে সেনা নামানো হবে’ ঠিক তখনই বাইরে হাজারো লোক অপেক্ষা করছিলেন পরের দিন সকালের বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিতে।

আমেরিকায় লকডাউন ও করোনার জন্য কাজ হারিয়েছেন চার কোটি মানুষ। বেকারত্ব বাড়ছে।প্রবল অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে পব থেকে ধনী দেশের অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে জাতিদাঙ্গায় বিধ্বস্ত হয়েছে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী দেশ বলে দাবি করা দেশ আমেরিকা।মার্কিন প্রশাসন আইন কড়া আইন প্রয়োগ করেই বিদ্রোহ দমন করা হবে বলে ঘোষনা করলেও ভয় পাচ্ছেন না মানুষ বরং আরো বেশি উত্তাল হয়ে উঠছে দেশ। এখনও পর্যন্ত প্রায় বারটি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে এ বিক্ষোভের আগুন। আমেরিকায় ঘনীভূত হচ্ছে গভীর সংকট।

17