২৯/৫/২০২০,ওয়েবডেস্কঃ২ থেকে ৬ জুন রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে জুন মাসের বরাদ্দ মিড ডে মিলের চাল ও আলু বিতরণের নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছে বিদ্যালয়গুলিতে। এর ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষকরা। সেই সমস্ত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে এবার বিডিওর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করলেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ইসলামপুর দক্ষিণ চক্র শাখা।

তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিডিওর হাতে পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় শুক্রবার।
তাদের মূল দাবি গুলি ছিল, বর্তমান বাজারদর হিসেবে আলুর দাম ২৫ টাকা প্রতি কেজি হিসেবে ধার্য করতে হবে। চাল বিতরণের পূর্বে প্রত্যেকটি বিদ্যালয় কে ভালোভাবে স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করতে হবে। চাল আলু বিতরণের সময় সুরক্ষার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। গ্রাম্য এলাকায় বর্তমানে বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেগুলিকে বর্তমানে চাল বিতরণ প্রক্রিয়ার আওতার বাইরে রাখতে হবে।

শিক্ষক সমিতির পক্ষে সভাপতি জয়ন্ত শর্মা জানান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা মাস্ক স্যানিটাইজার ইত্যাদি সরবরাহ করতে হবে নতুবা পরবর্তীতে তারা বৃহত্তর আন্দোলন করতে বাধ্য হবেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য লকডাউন শুরু হবার পর থেকেই রাজ্য সরকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বরাদ্দকৃত চাল ও আলু শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রতিমাসেই মাথাপিছু হিসেবে বাচ্চাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। কিন্তু ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতিতে গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ধীরে ধীরে বাড়ছে করো না পজেটিভ মানুষের সংখ্যা। এই অবস্থায় উপযুক্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিতরণের উপযুক্ত পরিকাঠামো না থাকায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজেদের এবং অভিভাবকদের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচিয়ে চালু বিলি করার বিষয়ে যথেষ্টই আতঙ্কিত শিক্ষক মহল।

9