ওয়েবডেস্ক,মে,২৬,২০২০: ১১ ই জুন অর্থাৎ গ্রীষ্মাবকাশের পরদিনই রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয় খোলার প্রস্তাব দিলো ওয়েস্টবেঙ্গল তৃণমূল কংগ্রেস শিক্ষা সেল। ওয়েস্টবেঙ্গল তৃণমূল কংগ্রেস শিক্ষা সেলের পক্ষ থেকে আজ এই প্রস্তাব দেওয়া হয় রাজ্যের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি মহাশয় কে। শিক্ষা ছেলের পক্ষ থেকে জয়দেব গিরি লিখিত আকারে এই প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। শিক্ষা সেলের বক্তব্য বর্তমান সময়ে মাত্র ৩ শতাংশ ছাত্রছাত্রী অনলাইন ক্লাস এর সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে যার ফলে গ্রাম-গ্রামান্তরে বহু সংখ্যক ছাত্রছাত্রী পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই শিক্ষা সেলের প্রস্তাব গরমের ছুটি শেষ হবার পরে অর্থাৎ ১১ তারিখ থেকে রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হোক।

এর পাশাপাশি তারা আরো কিছু প্রস্তাব সংযোজন করেছেন। যেমন,
★১১ তারিখ বিদ্যালয় গুলি খুললেও ঐ দিন কোন ছাত্র-ছাত্রী বিদ্যালয়ে আসবেনা। শুধুমাত্র শিক্ষক-শিক্ষিকারা এবং পরিচালন সমিতির সদস্যরা উপস্থিত হয়ে পরবর্তীতে বিদ্যালয় চালানো রুটিন নির্ধারণ এবং বিদ্যালয় জীবানুমক্ত করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।
★১৫ জুন থেকে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে আসবে। 25 জন করে ছাত্র ছাত্রী নিয়ে নবম-দশম এবং একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
★পঠন পাঠনের সময় পরিবর্তন করে ৯টা থেকে ৩টে অথবা ১০টা থেকে ৪ টে করা হবে।
★শনিবার কোন অর্ধদিবস রাখা যাবে না।
★ষষ্ঠ সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা ১লা জুলাই থেকে লাগাতার বিদ্যালয় আসবে। তবে 25 জনের বেশি ছাত্র একসঙ্গে ক্লাসে থাকবে না এবং পালা করে করে ক্লাস চলবে।
★সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চলবে।
★ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল ২৯ শে জুনের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে ।

এমনই আরো কিছু প্রস্তাব সম্বলিত একটি চিঠি আজ সংগঠনের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে যানবাহন পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকলে কিভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিদ্যালয় যাবেন তার কোনো প্রস্তাব এখানে নেই।
যে সমস্ত এলাকা কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হিসেবে চিহ্নিত সেখানকার ছাত্র-ছাত্রী বা শিক্ষক-শিক্ষিকারা স্কুলে গেলে করোনা সংক্রমনের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে না তো সে বিষয়েও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি এই প্রস্তাবে।

এই করোনা পরিস্থিতিতে যখন পশ্চিমবঙ্গে আক্রান্তের হার দ্রুত গতিতে বাড়ছে সেই মুহূর্তে বিদ্যালয় খুললে কীভাবেই বা রোগ থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বাঁচানো যাবে সে বিষয়ে যথেষ্ট আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ অভিভাবকেরা।

46