ফাইল চিত্র

দিকে দিকে করোনার চেয়ে ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে মানুষের ক্ষুধা। লক ডাউনে কাজ বন্ধ থাকায় পেটের টানে ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে মানুষ। বহু মানুষ অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। এই অবস্থায় ত্রাণের টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠলো চার তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগেই পার্টি অফিসে ঢুকে তৃণমূল নেতাদের বেধড়ক পেটালেন গ্রামবাসীরা।

ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার শাসনের মজলিসপুর বাজারের। অভিযোগ ত্রাণ বিলির জন্য স্থানীয় শিল্পপতিদের কাছ থেকে তোলা টাকা ঝেড়ে দিয়েছেন এলাকারই ৪ তৃণমূল নেতা।

শনিবার সকালে শাসন থানা এলাকার ২৩ নম্বর বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া তৃণমূলের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় ইটভাটা মালিক, ভেড়ি মালিকদের কাছ থেকে করোনায় ত্রাণ বিলির নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন ৪ তৃণমূল নেতা। কিছু টাকার লোক দেখানো ত্রাণ দেওয়া হলেও বাকি টাকা ভরেছেন নিজেদের পকেটে।

এর প্রতিবাদে শনিবার সকাল থেকে তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। বিক্ষোভ চরমে উঠলে পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে চার তৃণমূল নেতাকে বেদম ধোলাই দেন তাঁরা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শাসন থানার পুলিশকর্মীরা। তাদের ঘিরেও বিক্ষোভে ফেঁটে পরে এলাকাবাসী। অবশেষে অভিযুক্ত নেতাদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস পেলে বিক্ষোভ থামে।

এই ঘটনাকে ‘কালবৈশাখী ঝড়’ উল্লেখ করে টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন সূর্যকান্ত মিশ্র। চোরের পর এবার মজুতদারদের ওপর একইভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। এরসাথে তিনি আরও বলেন ” আমরা নৈরাজ্য চাইনা। সংগঠিত খাদ্য আন্দোলন চাই”।

নিরন্ন মানুষ করোনার আগে অনাহারে কষ্ট পেলে তাদের নিয়ে জীবন বাজি রেখে লড়াই করার হুঙ্কার দেন সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক।

13