লকডাউনের ডায়েরি…
একটা গল্প শোনাই…
ধরুন বাইক নিয়ে মাংস কিনতে বেরিয়েছেন এক যুবক। পুলিশ ধরায় যুবক অকপটেই জানালেন, মাংস কিনতে যাচ্ছি। তা লকডাউনে কি মাংস না খেলে হয় না? যুবক বলেন, নতুন বছর তো তাই। রাস্তার উল্টোদিকে শুকনোমুখে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন ভ্যান-রিক্সাওয়ালা। সেদিকে একবার তাকালেন বাইক আটকানো পুলিশকর্মী। কারও মাংস খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। নিজের টাকায় মাংস খাবে তাতে আপত্তি কিসের। কিন্তু লকডাউনের বাজারে সাতশো টাকা কেজির মাংস কিনতে তিন কিলোমিটার দূরে, ব্রক্ষ্ণতালু জ্বলছে পুলিশকর্মীর। কিন্তু কারও টাকা তো কেড়ে নেওয়া যায় না। ছুতো একটা লাগে বৈকি। লাইসেন্স আছে? যুবকের উত্তর, না নেই। বাঃ বেশ। রাস্তার পাশে থাকা রিক্সা ও ভ্যানচালকদের ডাকলেন পুলিশকর্মী। যুবককে বললেন, এদের সাতজনকে একশো টাকা করে দিয়ে বাড়ি যাও। দিতে হল। এরপর খালি ব্যাগ নিয়ে বাড়ির পথ ধরলেন যুবক।
এটা গল্পই কিন্তু। কারও সঙ্গে মিলে গেলে তার দায় আমার নয়। কিন্তু গল্পটা যদি এরকম হয় কার পক্ষ নেওয়া উচিত, অনেক ভেবেও সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছি না। যুবকের? নাকি ওই পুলিশকর্মীর? আপনারা সাহায্য করলে উপকৃত হব…
কার পক্ষ নেওয়া উচিত?
বাপি মজুমদার,সাংবাদিক