এপ্রিল ১৪,২০২০:
১৫ দিনের মতো খাবারের ব্যবস্থা হওয়ার পর ওরাও নিঃশ্বাস ফেলেছিল। স্বস্তি। লকডাউন শেষে একদিনের জন্য হলেও, খাঁচা খুলে দিলে ওরা পাখির মতো ডানা মেলে দেবে। ওরা ‘পরিযায়ী’ শ্রমিক।
গুজরাট থেকে উড়ে যাবে নিজের ঘরে। নদী নালা ঘেরা বাংলায়। সে আশা শেষ। ক্লান্ত ফোনগুলো আর খাবার চায়না। ওরা ওদের অদৃষ্ট দেখতে পাচ্ছে হয়তো। কিছুদিন পরে হয়তো দরজায় দরজায় টোকা দেবে। পুলিশের মার খাবে। রাস্তায় লাশ হয়ে গড়াগড়ি খাবে। ভিখারীদের পরিযায়ী তকমা লাগেনা।
কিন্তু যারা ভাতগলা ফ্যানের জন্য পথে নামতে পারবেনা – একটা অনিশ্চয়তার বেসরকারি চাকরি করে সম্মানের সাথে সমাজে বাস করতো তাদের কী হবে? গতমাসের বেতন আসেনি। জমানো টাকাটুকুও শেষ হলে, শেষ সম্বল কী হবে? ফ্যান ও একটুকরো ওড়না নাকি দড়ি?
আমরা প্রতিদিন ‘বিষ’ দিয়ে উদরপূর্তি করছি।।
সাফিন আলি,চিকিৎসক, ভাপি, গুজরাট