ওয়েব ডেস্ক, জানুয়ারি ২৪,২০২০: নিউজিল্যান্ড ২০৩ রান করেও পার পেল না। প্রথমে লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি এবং পরে শ্রেয়স আইয়ার ও মনীশ পাণ্ডের ব্যাটে জয় পেল ভারত। হাফসেঞ্চুরি করলেন রাহুল ও শ্রেয়স আইয়ার। এদিনের জয়ের ফলে সিরিজে ১-০ ফলে এগিয়ে গেলেন বিরাটরা।

এদিন টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই মারমুখী মেজাজে ছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরো। শুরুতে শার্দুল ঠাকুরকে টার্গেট করেন তাঁরা। প্রতি ওভারে ১০-এর বেশি রেটে রান আসছিল। পাওয়ার প্লেতে ৬৮ রান হয়। শেষ পর্যন্ত শিবম দুবের হাত ধরে প্রথম ব্রেক থ্রু পায় ভারত। গাপটিলকে ৩০ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নে পাঠান তিনি। বাউন্ডারিতে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন রোহিত শর্মা। অন্য ওপেনার মুনরো নিজের হাফসেঞ্চুরি করেন।
মুনরোর সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ৫৯ রানের মাথায় শার্দুল ঠাকুরের বলেই আউট হন মুনরো। পরের ওভারেই জাদেজার শিকার হন ডি গ্র্যান্ডহোম। মাঝের কিছু ওভারে রানের গতি কমে যায়। মনে হচ্ছিল ২০০ হয়তো হবে না। কিন্তু তখনই জ্বলে উঠলেন উইলিয়ামসন ও রস টেলর।

দুজনেই হাফসেঞ্চুরি করলেন। উইলিয়ামসন ৫১ করে চাহালের বলে আউট হন। টেলর ৫৪ করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০৩ করে নিউজিল্যান্ড।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ৬ রানের মাথায় রোহিত শর্মার উইকেট হারায় ভারত। তারপরে পার্টনারশিপ করেন লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি। বিধ্বংসী মেজাজে খেলছিলেন তাঁরা। কোনও বোলারকেই রেয়াত করছিলেন না দুই ব্যাটসম্যান। নিজের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রাহুল। দেখে মনে হচ্ছিল খুব সহজেই ম্যাচ শেষ করে দেবেন তাঁরা। ঠিক তখনই ছন্দপতন হয়।

প্রথমে ৫৬ রানের মাথায় রাহুল ও তারপর ৪৫ রানের মাথায় কোহলি আউট হন। শিবম দুবেও বেশি রান পাননি। কিন্তু তাতেও খেই হারিয়ে ফেলেনি ভারতীয় ব্যাটিং। মাথা ঠান্ডা রেখে খেললেন শ্রেয়স আইয়ার ও মনীশ পাণ্ডে। ধীরে ধীরে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করলেন আইয়ার। হাফসেঞ্চুরি করলেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন আইয়ার। তিনি ৫৮ ও মনীশ পাণ্ডে ১৪ করে নটআউট থাকেন।

এদিনের জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলেন বিরাটরা। দ্বিতীয় ম্যাচে এই মাঠেই রবিবার মুখোমুখি হবে দু’দল।

29