ওয়েব ডেস্ক ডিসেম্বের ২৪,২০১৯ : চিতাবাঘ ধরতে ছাগলের সাথেই খাঁচার ভেতরে কথাবলা পুতুল ঝোলালো জলদাপাড়া বন বিভাগ। গত ১৭ই ডিসেম্বর মাদারিহাটের গেরগেন্ডা চা-বাগানের বাসিন্দা গীতা প্রজাকে চিতাবাঘ টেনে নিয়ে যায় তুলসিপাড়া চা-বাগানের ঝোপের আড়ালে।এরপরেই চা-গাছের ঝোপ থেকে উদ্ধার হয় তার ঘাড় মটকানো মৃতদেহ। স্থানীয়দের চাপে গেরগেন্ডা ও তুলসিপাড়া চা-বাগানে ছাগলের টোপ দিয়ে পাতা হত ৭টি খাঁচা। তবে বিগত ৪দিন ধরে ডূয়ার্সের তাপমাত্রা ৮-৯ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ার দরুন নির্জন এলাকায় খাঁচার ছাগল প্রবল শীতে কাবু হয়ে রব তোলাতো দূরের কথা চোখ খুলেও তাকাতে পারছেনা।ফলে খাঁচার ত্রিসীমানায় আসছে লেপার্ড। অগত্যা এই বিকল্প পথ খুঁজে বার করল বনদফতরের আধিকারিক-কর্মীরা।
চিতাবাঘের অতর্কিত হামলার ভয়ে কাজে যেতে বেঁকে বসছেন শ্রমিকরা।ফলে ঘরেবাইরে চাপে পড়ে ওই কথা বলা পুতুলের দাওয়াইয়ে চিতাবাঘ পাকড়াওয়ের ফাঁদ পেতেছে বনদফতর। কারন গত বছর ধুমচিপাড়া চা বাগানে মায়ের কোল থেকে এক শিশুকে চিতাবাঘ ছিনিয়ে নেওয়ার পর ওই কথা বলা পুতুলের টোপেই খাঁচাবন্দী হয়েছিল বেশ কয়েকটি চিতাবাঘ। ফের সেই টোটকায় কাজ হতে পারে বলে আশাবাদী বনকর্তারা। ওই পুতুলের ভেতরে থাকছে একটি স্বয়ংক্রিয় চিপ। সেখান থেকেই অনবরত বাচ্চাদের কান্নার আওয়াজ ভেসে আসবে।তাতে যদি চিতাবাঘ আকৃষ্ট হয়ে খাঁচায় ধরা পড়ে, সেই আশাতেই রয়েছে বনদফতর।

9