১০/৬/১৯,ওয়েবডেস্কঃআট বছরের শিশুকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় কাঠুয়া সহ তোলপাড় হয়েছিলো গোটা দেশ।আজ সেই ধর্ষন কান্ডে জড়িত আট জনের মধ্যে ছ’ জনকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। এই ঘটনায় মোট আটজনের মধ্যে ৬ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। একজনকে মুক্তি দিয়েছে আদালত। অন্যজনের বয়স নিয়ে বিতর্ক থাকায় তাকে বিচার প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যে সমস্ত ধারায় চার্জশিট জমা পড়েছে তাতে ফাঁসির সাজা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করেন আইনজীবী মহলের একটা বড় অংশ। তবে তাদের মত খুব কম হলেও যাব্বজীবন শাস্তি হতে পারে। ৩ রা জুন শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। গোটা শুনানি পর্বটি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। আদালত জানায় আজ মামলার রায়দান হল। গোটা আদালত চত্বরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। গত বছরের জানুয়ারি মাসের ১০ তারিখ জম্মুর কাঠুয়া জেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই শিশুকন্যাকে অপহরণ করে স্থানীয় মন্দিরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। গোটা ঘটনায় উত্তাল হয় দেশ।
দিন সাতেক বাদে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। তারও তিন দিন বাদে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বয়স নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকায় এখনও তার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। সে নাবালক কিনা তা খতিয়ে দেখবে জম্মু-কাশ্মীরের হাইকোর্ট। তারপরই এই মামলায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা। গনধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে পথে নামে আসমুদ্রহিমাচল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ একজন সাব-ইন্সপেক্টর ও হেড কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রাক্তন রাজস্ব অধিকর্তা সাঞ্জি রাম মার্চ মাসের ২০ তারিখ আত্মসমর্পণ করে।এই ঘটনায় তার ছেলে বিশাল, বন্ধু আনন্দ দত্ত এবং দুজন বিশেষ পুলিশ অফিসার যাদের নাম দীপক খাজুরিয়া এবং সুরেন্দর বর্মা সহ কয়েকজন জড়িত বলে দাবি পুলিশের। ক্রাইম ব্রাঞ্চ তদন্ত করে বলে এই ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার নেপথ্যে আরও একটি বিষয় রয়েছে। একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

13