ওয়েবডেস্ক, মে ৬, ২০১৯ : শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তিতে গ্রীষ্মাবকাশের পূর্বে ও পরে মিলিয়ে মোট ৫৯ দিন বন্ধ রাখা স্কুলে পঠনপাঠন শুরুর দাবিতে আজ উত্তর দিনাজপুর জেলা স্কুল পরিদর্শক কে ডেপুটেশন দিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা এ বি টি এ। এর আগে গত ৩রা মে ২০১৯ একই মর্মে জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক কে ডেপুটেশন দেন ওই জেলার এ বি টি এ সংগঠন।

গত ৩রা মে, ২০১৯ মাধ্যমিক মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি

ডক্টর কল্যাণময় গাঙ্গুলী একটি বিজ্ঞপ্তি রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে পাঠান । এই বিজ্ঞপ্তিতে তে ৩রা মে থেকে আগামী ৩০ শে জুন পর্যন্ত সমস্ত সরকারি, আধা-সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখতে অনুরোধ করা হয়। কারণ হিসেবে বলা হয় ৩রা এবং ৪ঠা মে সামুদ্রিক ঝড়ের ফনীর আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২০শে মে, ২০১৯ থেকে শুরু হওয়া গ্রীষ্মাবকাশ এর আগে এবং তা শেষ হবার পর থেকে ৩০ শে জুন পর্যন্ত তাপপ্রবাহ অনুমান করছে সরকার। তবে কিসের ভিত্তিতে গ্রীষ্মাবকাশের পরে সুনির্দিষ্ট তারিখে গোটা রাজ্যে তাপপ্রবাহের চলবে এই অনুমান সরকার করলেন তা বলা নেই এই বিজ্ঞপ্তিতে।
ঝড়ের পূর্বাভাসের ফলে ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করলেও শিক্ষা দপ্তর থেকে ২ মে, এবং ৩ রা মে, ২০১৯, যে নোটিফিকেশন জারি করা হয়েছে তা এককথায় নজিরবিহীন। এই পরিস্থিতিতে একটানা প্রায় ২ মাস বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন বন্ধ রাখার নির্দেশ সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপর বিরাট আঘাত বলে মনে করেন এবিটিএ উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক বিপুল মৈত্র। তিনি আরো জানান যে তাদের দাবি এই যে সরকার শিক্ষা দপ্তর যেন ঝড়ের পূর্বাভাস ও গ্রীষ্মাবকাশ জনিত ছুটি বাদে অন্যান্য ছুটি বাতিল করে পুনরায় বিদ্যালয় এ সুষ্ঠু পঠন-পাঠন চালু করেন। এই বিজ্ঞপ্তি জারির ফলে একটা বিরাট অংশের বিরাট অংশের প্রান্তিক পরিবারের ছেলেমেয়েরা পঠনপাঠন ও মিড ডে মিল থেকে বঞ্চিত হবে। তিনি বলেন যে তার সংগঠন এ বি টি এ রাজ্যস্তরে বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চালু করার দাবিতে আন্দোলন সংগঠন কি করছে আগামী 15 মেয়ে কলকাতা এ সংক্রান্ত বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে রাজ্যের এ বি টি এ র

44