ওয়েবডেস্ক,২রা এপ্রিল:নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম শক্তশালী মাধ্যম হিসেবে উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়া।প্রত্যেক রাজনৈতিক দলেরই নিজস্ব মিডিয়া সেল আছে।সেকথা কথা মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন এবার নির্দিষ্ট গাইড লাইন চালু করলো সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য। গাইডলাইন মেনেই ভোট প্রচার করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়াতে। গাইডলাইনে বলা আছে প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্র পেশ করার জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কীত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন প্রার্থী প্রচার করলে তার খরচের পরিমাণ পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে জানাতে হবে। রাজ্য ও জেলাস্তরে মিডিয়া সার্টিফিকেশন ও মনিটরিং কমিটির ব্যবস্থাও থাকবে। এছাড়াও কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে একমাত্র ১৯ মে’র পরই যে কোনো রকম সমীক্ষার ফলাফল বা সেই সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সহ যেকোনো সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা করা যাবে ,তার আগে নয়। একই সঙ্গে ভোটের ৪৮ ঘন্টা আগে থেকে এমন কোন ভিডিও,ছবি,অডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা যাবে না যাতে কোনো রাজনৈতিক দল বা তার প্রার্থী প্রচার পায়।সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন দিতে হলে আগে পেতে হবে শংসাপত্রের মান্যতা। কমিশনের তরফে সেই বিজ্ঞাপন গুলো দেখে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট গুলোকে। ইতিমধ্যেই একটি বোর্ড বা দল গঠন করেছে কমিশন এই বিষয়ে নজরদারি চালানোর জন্য এবং এ সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ দেখাশোনার জন্য। নজর রাখা হয়েছে সমস্ত ধরনের পেইড নিউজের দিকেও।
এছাড়া যে কোন রকম রাজনৈতিক কথা যুক্ত বাল্ক বা ভয়েস মেসেজও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন হিসেবে গণ্য হবে সোশ্যাল মিডিয়াতে।এমনই জানানো হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে।

45