29/3/19,ওয়েবডেস্কঃ2010 এ উত্তীর্ণ হয়ে বেকার শিক্ষিত যুবকরা হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট এমনকি রাস্তায় তাদের আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছে ।এমন কি অবস্থান চলাকালীন সময়ে তাদের ওপর পুলিশি নির্যাতন হচ্ছে ।তাদের অনশন তুলে নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অনশনকারীরা দীর্ঘ নয় বছর নিয়োগ না পেয়ে বাধ্য হয়েছে আমরণ অনশনে বসতে। এবার সেই মাদ্রাসা স্কুল সার্ভিসের পাস করা হবু শিক্ষকেরা অনশনে বসলে ভোররাতে পুলিশ এসে জোর করে তাদের উপরে লাঠি চালায় এবং তাদের অনশন তুলে নিতে বাধ্য করে । আজ এই বিষয়ে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ মোহাম্মদ সেলিমের সাথে কুলিক ইনফো লাইন এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,”জনবিরোধী যুব বিরোধী নৃশংস সরকার চলছে পশ্চিমবঙ্গে ” ।মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনে উত্তীর্ণ ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে পুলিশী লাঠিচার্জ ও নির্যাতনের প্রতিবাদে ফেটে পড়লেন রায়গঞ্জের সাংসদ মোহাম্মদ সেলিম। আট বছর হয়ে গেল মাদ্রাসাগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিমকোর্ট পর্যন্ত রাস্তায় ধরনা দিয়ে তারা নিজেদের দাবির জন্য লড়ছেন। কিছু লোকের সুবিধার্থে সরকার মাদ্রাসা নিয়োগের আইনি প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন করে পয়সার বিনিময়ে নিয়োগের চক্রান্ত করছে। আজ ভোররাতে কাপুরুষের মতো পুলিশ অনশনকারীদের অবস্থান থেকে তুলে দেয় ।তিন জনকে আটক করা হয়েছে । একজনের অবস্থা সঙ্কটজনক বলে শুনেছি। ধরনা মঞ্চ থেকে ছত্রভঙ্গ করার পর সে সব হবু শিক্ষকরা যখন শহীদ মিনারে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখানে পুলিশ গিয়ে তাদের তাড়া করেছে। পশ্চিমবঙ্গে যে যুব বিরোধী, দল বিরোধী এবং বিরোধী শক্তি সরকার চলছে তার উদাহরণ হল আজকে এইসব মাদ্রাসার হবু শিক্ষকদের ওপর পুলিশের নির্বিচারে লাঠিচার্জ। আক্রমণ করে লাঠি চালিয়ে ওদের মন ভাঙ্গা যাবে না ওদের আন্দোলনকে শেষ করা যাবে না। স্বচ্ছতার সঙ্গে সুষ্ঠু নিয়োগ তাদের সংবিধান স্বীকৃত অধিকার বলে জানান মোঃ সেলিম ।

অপরদিকে আজ বিকেল পাঁচটা নাগাদ আন্দোলনকারী মাদ্রাসা স্কুল সার্ভিস কমিশনের হবু শিক্ষকেরা প্রেস কনফারেন্স করে তাদের উপরে হওয়া আক্রমণের তীব্র প্রতিবাদ জানায়। তাদের এই আন্দোলনকে এবং তাদের ওপরে হওয়া পুলিশের এই নৃশংস অত্যাচারের বিরুদ্ধে এপিডিআর ও বুদ্ধিজীবী থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক ও তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

19