২৪/১১/১৮,ওয়েবডেস্কঃ মদ, গাঁজা, বিড়ি,গুটকা, সিগারেট এই নাম গুলোই মাথায় আসে নেশার কথা বললে। একটু বড় মাত্রায় ভাবলে হেরোইন, কোকেন ইত্যাদি।তবে বোধ হয় এবার এগুলোও সেকেলে হয়ে গেছে ইন্দোনেশিয়ার যুবকদের কাছে। তাই এবার তারা যে বস্তুকে নেশার জন্য বেছে নিয়েছে শুনলে অবাক হবে সক্কলেই। স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করে নেশা করছে তারা। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। স্যানিটারি ন্যাপকিনকেই এখন তারা নেশার জন্য ব্যবহার করছে।

তাদের দাবি,এই নেশা নাকি তাদের আকাশে ভেসে থাকার অনুভূতি হচ্ছে! নেশার জন্য ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত দু’ধরনের ন্যাপকিনকেই কাজে লাগাচ্ছে তারা।

এই ভয়ঙ্কর নেশা নিয়ে প্রথম সারির সংবাদপত্র ও প্রশাসনের তরফে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের সংবাদমাধ্যমগুলিতে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে ‘বৈধ নেশার দ্রব্য’। এমনিতে স্যানিটারি ন্যাপকিন বাজারে সহজ লভ্য। দামেও যথেষ্ট সস্তা। তাই তা থেকে ঘরে বসেই যদি নেশার প্রয়োজনীয় উপকরণ বানিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে তো চিন্তার যথেষ্ট কারণ থেকেই যায়।

গত সপ্তাহেই এরকম নেশায় আচ্ছন্ন বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে ইন্দোনেশিয়ার পুলিশ। আটকদের থেকেই নেশা করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছে প্রশাসন।সে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ফোটানোর ফলে ন্যাপকিনে ব্যবহৃত রাসায়নিক জলে মিশে যাচ্ছে আর তা পান করলে নাকি একরকম বিশেষ অনুভূতির সৃষ্টি হচ্ছে। কোন রাসায়নিক দ্রব্য থেকে এরকম নেশা হচ্ছে তা জানার জন্য পরীক্ষা করে দেখছে সে দেশের বিজ্ঞানীরা।

39