ওয়েব ডেস্ক,রায়গঞ্জ,২১/১১/২০১৮: দিনাজপুর জেলার স্বাধীনতার শেষযোদ্ধা মনিন্দ্র নাথ রায়ের জীবনাবসান।
কয়েক বছর আগেই স্বাধীনতা সংগ্রামী সরোজকুমার বোষ (কালকেতু) জীবনাবসান হয়। শেষ যোদ্ধা স্বাধীনতা সংগ্রামী মনিন্দ্র নাথ রায়ের জীবনাবসানে উত্তর দিনাজপুর জেলার নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
মৃত্যুকালে বয়ষ হয়েছিলো ৯৫ বছর। রেখে গেলেন অসুস্থ স্ত্রী, দুই ছেলেকে।
স্বাধীনতা সংগ্রামী মনিন্দ্রনাথ রায় কে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে প্রশাসননের পক্ষ থেকে সংবর্ধান দেওয়া হলেও মৃত্যুর দিন প্রশাসনিক কোনো কর্তাব্যক্তিকে দেখা গেল না। প্রশাসনের উদাসীনতায় ক্ষোভ ছড়ালো রায়গঞ্জের মিলনপাড়া এলাকায়। প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামীর মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর মিলন পাড়ার বাড়িতে পৌরসভার পৌরপতিকে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গেলেও জেলা প্রশাসনের কাউকে দেখা গেল না। ২০০৫ সালের ২৭ শে মে জেলার অন্যতম স্বাধীনতা সংগ্রামী সরোজকুমার বোষ (কালকেতু) এর জীবনাবসান হয়। রাজ্যে তখন বামফ্রণ্ট সরকার। স্বাধীনতা সংগ্রামীর জীবনাবসানের খবর ছড়িয়ে পরতেই জেলা প্রশাসনের শীর্ষকর্তা ছাড়াও অগনিত মানুষ। অথচ সাবেক পশ্চিম দিনাজপুর জেলার তালিকায় থাকা শেষ যোদ্ধার প্রয়ানে কোথায় এই রাজ্যের প্রশাসন স্তম্ভিত জেলাবাসী? স্বাধীনতা সংগ্রামীর জীবনাবসানের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটা ফুলের মালা পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামীর দেহে না পৌছানোতে অনেক প্রশ্ন তুললেন জেলার মানুষ।

53