১৬/১১/১৮,ওয়েবডেস্কঃ ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে দিগ্বিদিক কাঁপানো “অচ্ছে দিন” এনে দেবার প্রচারের জৌলুশ এখন অনেকটাই স্তিমিত। আম জনগণের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা আর তার থেকেই উদ্ভূত ক্ষোভ কে সামাল দিতে তাই প্রায়শই ধর্মীয় প্রচারের আশ্রয় নিতে হচ্ছে বিজেপি সহ একাধিক রাজনৈতিক দল গুলোকে। পশ্চিমবঙ্গ ও তার ব্যতিক্রম নয়। এখানে বিজেপির পাশাপাশি শাসক দল তৃণমূলও এখন উন্নয়ন ভুলে নিত্য নতুন উৎসব আর পূজার্চনাকে প্রচারের হাতিয়ার করছে। তারই নবতম সংযোজন “গোপাষ্টমী ব্রত” পালন। কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধুমধাম করে গোপাষ্টমী উদযাপন করা হয়। এবার এরাজ্যেও গোপাষ্টমী উদযাপন করতে চলেছে তৃণমূল।

শুক্রবার মধ্যমগ্রামের বাদুতে গোপাষ্টমী উদযাপন করবেন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক দীনেশ বাজাজ। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ বাদুতে গোশালায় গো পূজা করবেন দীনেশ বাজাজ।

এপ্রসঙ্গে পশ্চিনবঙ্গের মারওয়াড়ি ফেডারেশনের সভাপতি দীনেশ বাজাজ জানান, গতবছর রথের দিন বাদুতে ১৪টি গরু নিয়ে গোশালা খোলা হয়েছিল। এবছর সেই
গরুগুলিরই মাথায় তিলক পরিয়ে ধুপ ধুনো,ফুলের মালা দিয়ে পুজো করা হবে। এছাড়াও তাদের খাওয়ানো হবে পালং শাক, রুটি প্রভৃতি।

শুধু তাই নয়, ২২ নভেম্বর প্রিন্সেপ ঘাটে গঙ্গারতিরও ব্যবস্থা করেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক। ওই দিন গঙ্গার ধার প্রদীপ, আল্পনা দিয়েও সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে। পুজো করতে বেনারস থেকে আসবেন ৩জন পুরোহিতও। সব মিলিয়ে পুজো দেওয়ালী র পর আরো এক নতুন উৎসবের আবহে মাততে চলেছে রাজ্য।

এবিষয়ে দীনেশ বাবুকে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়,”রাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্তের জন্যই কি হিন্দুত্বের পথ নিচ্ছেন তৃণমূল নেতা”? দীনেশ বাজাজের জবাব,”আমরা বিজেপির থেকে হিন্দুত্বের শংসাপত্র নেব না। আমরা হিন্দু, অন্য ধর্মকেও শ্রদ্ধা করি। গোপূজন আমাদের সংস্কৃতি তে ছিলো এবং আছেও। কাজেই নতুন করে এই সংস্কৃতি আমদানি করার কোনো প্রশ্ন নেই “।

40