Categories
রাজনীতি

“কুকথার ব্র্যান্ড ” অনুব্রত মন্ডল।বক্তা সাংসদ শতাব্দী রায়

২/১১/১৮,ওয়েবডেস্কঃ স্বয়ং দলনেত্রী তাকে “ভালো সংগঠক” বলে সার্টিফিকেট দিলেও এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন দলেরই ওপর এক মহিলা সাংসদ।

যাকে “কুকথার ব্র্যান্ড” বলে অভিহিত করা হলো তিনি আর কেউ নন বীরভূম জেলার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। আর অনুব্রত বাবুকে এই অভিধায় ভূষিত করলেন তারই দলের মহিলা সাংসদ শতাব্দী রায়।

বৃহস্পতিবার রামপুরহাট হাইস্কুল মাঠে এক কালিপুজোর উদ্বোধনে এসেছিলেন তিনি। সেখানেই সাংবাদিকরা তার কাছে রাজনীতিতে কুকথার প্রয়োগ নিয়ে মতামত জানতে চান। প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংসদ বলেন,” আমরা সমাজের প্রতিনিধিত্ত্ব করি। সাধারন মানুষেরও প্রতিনিধি আমরা। তাই আমাদের সবসময়ই ভাষা এবং ব্যবহারের ওপর লাগাম থাকা উচিত। আর শুধু রাজনৈতিক জীবনেই নয় ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনেও কুকথার ব্যবহার সম্পর্কে সকলেরই সচেতন থাকা উচিত।” এর পরেই তাকে অনুব্রত বাবুর বারংবার ভাষার শালীনতা অতিক্রম করার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ” ওটাতেই ওনার জনপ্রিয়তা। দিনদিন উনি এসবের ‘ব্র্যান্ড’ হয়ে উঠছেন। অনুব্রত বাবুর অনেক ভালো দিকও রয়েছে কিন্তু যে কোনো কারণেই হোক উনি মিডিয়া জগতে কুকথা বলার জন্যই ফেমাস হয়েছেন।”

প্রসঙ্গত বীরভূমে তৃণমূলের অন্তর্দলীয় রাজনীতিতে অনুব্রত এবং শতাব্দী রায়ের পারস্পরিক খারাপ সম্পর্ক নিয়ে ইতিমধ্যেই সকলে অবহিত। এমনকি এবারের লোকসভা নির্বাচনে শতাব্দী রায় টিকিট পাবেন কিনা সেবিষয়েও শতাব্দী ঘনিষ্ঠরা সন্দীহান। সেই পটভূমিতে সাংসদের এহেন বক্তব্যে শোরগোল উঠেছে রাজনৈতিক মহলে। প্রবল অস্বস্তিতে তৃণমূল ও।

69

Leave a Reply