৮/১০/১৮,ওয়েবডেস্ক,শ্রাবনী ভট্টাচার্যঃ

পিতৃ পক্ষের অবসানে ও দেবী পক্ষের সূচনায় মহালয়া বাঙালী জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ।শরতের নীলিমায় শুভ্র মেঘের ভেলা থাকুক আর নাই থাকুক,কিন্তু বিরেনবাবুর সেই জলদ গম্ভীর কন্ঠে “অশ্বিনের শারদ প্রাতে” আর তার সাথে “বাজলো তোমার আলোর বেনু” শুনলেই মনটা এক অপার আনন্দে,উত্তেজনায় ভোরে ওঠে।নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে পিতৃ পুরুষের উদ্দেশ্যে জলদান করার রীতি বহুকালের।তার সাথে ছিল রেডিওতে মহালয়া শোনার তীব্র ব্যাকুলতা।সে সব এখন প্রাগৈতিহাসিক যুগের কথা মনে হয়।আমার দাদামশাই মহালয়ার ভোরে স্নান আহ্নিক সেরে শুভ্র বস্ত্র পরিধান করে মহালয়া শুনতে বসতেন।সে সব দিন হারিয়ে গ্যাছে।আকাশবাণী র কাছ থেকে কপিরাইট চলে যাওয়ার পর যখন তখন,যেখানে সেখানে মহালয়া শোনা যায়,বিশেষত পুজো মরশুমে।রিক্সা,টোটো তে বিজ্ঞাপনের সাথে কোলাজ করে।যেমন আসন্ন শারদীয়া উপলক্ষ্যে আমাদের z বাজারে ইয়া চন্ডী মধু কইটা ভানি ছোট বড় সব বয়সের জন্য তখন দেবী চণ্ডী রূপে আবির্ভুত হইয়া তাই আসুন আমাদের ভীষণ পীড়াদায়ক।সময়ের পরিবর্তনের সাথে সব কিছুই মানিয়ে নিতে হয়,কিন্তু এই পরিবর্তন বড় বেদনার।বাঙালী আবেগের সাথে মানুষের রুচি ও শিক্ষার মিশেল না ঘটলে এই অপব্যবহার বন্ধ হওয়ার নয়।

40