৭/১০/১৮,ওয়েবডেস্ক: প্রতিবছর মহালয়ার ভোরে মহিষাসুরমর্দিনী শুনতে যখন রেডিওয় কান পাতেন জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা, ঠিক তখনই তুঙ্গে ওঠে বাজির শব্দ। তাই আগের সন্ধে থেকেই পাড়ায় পাড়ায় গজিয়ে ওঠা বাজির দোকানে ভিড় জমান বহু মানুষ। আলো ফুটলে অনেকেই চলে আসেন তিস্তা বা করলার পারে। পূর্ব পুরুষের স্মৃতি তর্পণ ও দেবীপক্ষের সূর্যকে প্রণাম জানিয়ে বাড়ি ফেরেন যে যার মতো। আর সাথে সাথেই চলে শব্দবাজির দাপট।

জলপাইগুড়ি সমাজতাত্ত্বিক ও গবেষক উমেশ শর্মা বলেন, ’’১৮৬৯ সালে এই জেলার জন্ম। জঙ্গলাকীর্ণ এই জেলায় কাক ভোরে নদীপারে তর্পন করতে আসতে গিয়ে যাতে বুনো জন্তুদের আক্রমণের মুখে না পড়তে হয়, তাই পথে শব্দ বাজি ফাটাতে ফাটাতে নদীপারে আসতেন তাঁরা। সেই রেওয়াজ রয়ে গেছে আজও।’’
এই অকাল দীপাবলির আগে এখন প্রশাসনের ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্রায় প্রতিদিনই শহরের চলছে শব্দবাজি আটক অভিযান। দিন কয়েক আগে জলপাইগুড়ির পাইকারি থেকে খুচরো সমস্ত ব্যবসায়ী সংগঠনকে নিয়ে থানায় মিটিং এ বসেন কোতোয়ালি থানার আইসি বিশ্বাশ্রয় সরকার। মিটিং ডেকে সবাইকে অনুরোধ করার পাশাপাশি আইন ভাঙলে কি সাজা হতে পারে তাও শুনিয়ে দেন।

14