২/১০/১৮,কুলিক ইনফোলাইনঃ

বাংলা কবিতায় মহাত্মা

কলমে পুরুষোত্তম সিংহ

পর্ব ৪
দীনেশ দাশ শ্রেণি সংগ্রামের প্রতীক রূপেই গান্ধীজিকে দেখেছেন। জাতপাতের উর্ধ্বে গান্ধী এক নতুন ভারতবর্ষে পৌঁছাতে চেয়েছিলেন। ধর্মীয় বাতাবরণের উর্ধ্বে জনপদ জীবনের প্রান্তিক মানুষের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সখ্য গড়ে উঠেছিল। এই মহান মানবকে কবি স্বাগত 10/2জানান এভাবে – ” তুমি বলেছিলে খালি / দিল্লী নয়, চল নোয়াখালি “। আজ দেশ স্বাধীন। কিন্তু কোন সকাল আমরা পেয়েছি? তাই কবি আশাহত কণ্ঠে বলেন -” হারায়ে গিয়েছে সেই সাত্ত্বিক সকাল / আমরা পেয়েছি শুধু পৃথিবীর স্থবির কঙ্কাল “। আবার “শেষ ক্ষমা ” কবিতায় গান্ধীজির ভারতীয় বোধ প্রবল হয়ে ওঠে। ত্যাগের দেশ ভারতবর্ষে গান্ধীজি ত্যাগের মধ্যেই বিলীন হয়ে গেছেন। কিন্তু গান্ধী হীন ভারত কোন পথে চলবে সে নিয়ে কবি সংশয়বাদী।। তাই কবি গান্ধীর আবার নবজন্মের প্রার্থনা জানান -” ছেয়ে দাও করুণা – করুণ ঘন মেঘের বন্যায়/ তুমি জন্ম নাও আর মানবতা নবজন্ম নেয়”

4