১/১০/১৮,ওয়েবডেস্কঃ

দিব্যি আছি।খাওয়া,দাওয়া,সপ্তাহান্তে আড্ডা,নেমন্তন্ন বাড়ি,ছোট খাটো ভ্রমণ,কোথাও কোনো সমস্যা নেই।আচমকাই যেন বুকের ভেতর সাতমন ওজন চেপে বসেছে।অতঃপর শ্বাসকষ্ট দৌড় ইমার্জেন্সি এর দিকে।অল্প বয়সেও ছাড় মিলছে না।তাই সাবধান হতে হবে অনেক আগে থেকেই।
গত ২৯শে সেপ্টেম্বর বিশ্ব জুড়ে পালিত হলো ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে।ব্যস্ত জীবন যাত্রা,সঠিক জীবন চারণে ফাঁকি,নানা কারণে হৃদ রোগের আক্রমণ ধেয়ে আসতে পারে যখন তখন
ইউরোপে,আমেরিকার মতো দেশে যেখানে হার্ট এর অসুখের প্রবণতা কমছে,ভারতে বেড়ে চলছে হু হু করে।১৯৯০থেকে২০১৮ এই ২৬ বছরে ভারতে হার্ট এট্যাক এ মৃত্যুর হার বেড়েছে ৩৪%.
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখবো

কি ভাবে চললে,কোন পথে হাঁটলে হৃদয় থাকবে সুরক্ষিত?
সামলে খাও _____প্রোটিন বেশি,ফলমূল সব্জী ঠাসা ডায়েটে অভ্যস্থ হতে হবে।চিনি গ চিনি কে যত কম চেনা যায়,ততই ভালো।এড়াতে হবে কৃত্রিম রং ও মিষ্টি।
ধুম্র লোচন নৈব নৈব চ_____ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে সম্পূর্ণ ভাবে।টেনশন কাটানোর,রিলাক্স করার অন্য উপায় বের করতে হবে নিজেদের ই।
জাঙ্কে নুনে না_____জাঙ্ক ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে।নুন খাওয়া কমাতে হবে।তবে গুন গাওয়া নয়।খোলা মনে অপরের গুন গাইলে মন হবে ঝকঝকে পরিষ্কার।
ডার্ক চকোলেট এ হ্যাঁ না____রোজ রাতে খাবার পর একটুকরো ডার্ক চকোলেট চলতে পারে।তবে ঐটুকুই।ওর চেয়ে বেশি হলেই লাল সতর্কতা।
নিয়মিত শরীরচর্চা,পরিমিত খাওয়া দাওয়া ,মনকে শান্ত রাখা,আর সবচেয়ে বড় কথা অল্পে সন্তুষ্ট হওয়ার অভ্যেস আয়ত্ত করতে হবে।জীবনবোধ পালটে নিতে হবে,ছোট ছোট খুশি কুড়িয়ে নিয়ে উপভোগ করতে হবে প্রানভরে।তবেই এড়ানো যাবে হৃদরোগ।থাকুন রসে বসে,হৃদয় থাকবে বসে।

8