২৭/০৯/১৮,ওয়েবডেস্কঃমুজাফফর নগর থেকে লাধেওয়ালা যাওয়ার রাস্তায় কিলোমিটার খানেক এগোলেই আপনার চোখে পড়বে আপাত বৈশিষ্ট্য হীন ,একটা সাইন বোর্ড যা আপনাকে আমন্ত্রণ জানাবে ৪ ফুট চওড়া তস্য গলির ভেতরে।দুটো বড় বাড়ির মাঝখানে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া একটা ছোট মন্দির যদিও এই মন্দির বিগ্রহহীন।মন্দিরের মালিক(?) বাবরি মসজিদ ভাঙার পর পর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উন্মত্ত ভারত বর্ষের যুগযুগের পরম্পরা ভেঙে নিজেদের ভিটে মাটি ও কুলদেবতাকে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।বিগ্রহ নেই বটে,তবু তো মন্দির,দেবতার স্থান।তাই ছাব্বিশ বছর ধরে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা মেহেরবান আলী প্রতিদিন মন্দিরটি পরিষ্কার করেন,রাস্তার কুকুর বেড়াল কৃত নো্ং রা থেকে মন্দিরটিকে বাঁচিয়ে রাখেন,দেওয়ালিতে করেন হোয়াইট ওয়াশ।পঁয়ত্রিশ ঘর মুসলিম পরিবার আজও বিশ্বাস করেন তাদের হিন্দু প্রতিবেশীরা একদিন না একদিন ঠিক ফিরে আসবেন তাদের বাস্তূ ভিটাতে।মেহেরবান আলী বিশ্বাস করেন তার বন্ধু জিতেন্দ্র কুমার আবার ফিরে এসে মন্দিরটির দায়িত্ব বুঝে নেবেন।বিশ্বাস এই একটি শব্দের উপর ভিত্তি করে ২৬বছর পার করে দিয়েছেন মেহেরবান আলী।ওরা হয়ত কেউ ফিরবে না কখনো কিন্তু সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়া দাঙ্গা বাজদের গালে সপাটে থাপ্পড় মেরে ধর্ম বোধের আসল পাঠ টা ঠিক কি হওয়া উচিৎ, বোঝাতে পেরেছেন মেহেরবান।

17