২৩/০৯/১৮,কুলিক রোববারঃ

দুটি কবিতা

ঈশিতা দে সরকার

১.

আলোড়নে পাতা মুড়ে রাখি ;
অসহ্য ঘুম আলপিন বরাবর।
ভাতের আলোতে তাঁবু ফেলে;
গোপন যত ;নিবিড় চরাচর।
কিছু টা ফেলাই যাবে শেষে;
জমি ঘিরে ইঁদুর মাটির গান –
বিষন্নতার খোল করতাল আছে;
বন্ধু ফোনে গাইছে রসিদ খান।
সুরের ভেতর পাকস্থলী উপুড় ;
পেট ভরছে পোয়াতি রকম ছুঁয়ে –
মানুষ এর হাত ধরার অধিকারে ;
দু এক টা গাছ;জন্ম থেকে নুয়ে।
কবিতা এসেছে নাচের ক্লাসে ভিজে
ছাতার চিত্রে পতঙ্গ বসা দিন ;
পার্সেলে এলো সময়ের নোট খাতা
অচেনা গল্প ; শিরোনাম জুড়ে নিন..

২.

এত দিন গাছের কাছে না গেলে এমন ই হয়।ফ্যাকাসে টিয়া ওড়ার কোচিং এ পাঠিয়ে দিচ্ছে অনিচ্ছা মোড়ক।এতদিন ছায়া জোরে হেঁটেছে কম।সব ডায়েরি গোপন থাকবে কেন?
লংস্কার্ট জুড়ে স্বাধীনতা র স্থাপত্য। না জেনে গলির মোড়ে নামকরণ করে দিল যারা;তাদের পালটে দেওয়ার ঘুম চোখ আছে। আদতে পালটা তে হলে নিজের ভেতর উপুড় হওয়া জরুরি।
এই দুপুরে কচি পাঁঠা।ঝোলের হাসি মুখ।
কিছু টা ফেনা উঠে গেলে আট বছর ;আট মাস ;অনুমানিক আরো বয়স তুমুল হয়।
বসে থাকি মন নামক জবর দখল এর কুঁচো নিয়ে।
কিছু ওল ট পাল ট নিজের মত।
প্রতি মাসে যার যত টা ফ্লো;ঠিক তেমন।
মানুষ জড়ো হচ্ছে।
রেখে যাচ্ছে নিষ্পাপ ঘাম।
এসব ছুঁয়ে কেমন স্নান স্নান মনে হয়।
মনে হয় আরো কিছুদিন থেকেই যাওয়া যায়;সংবাদ পত্র ছাড়া।
হেড লাইন এ চাষের ধুম স্বপ্নে দিও।
ওর চোখ;ফ্রক ;তোষ কের নীচে বেকসুর এর শিমুল বীজ হয়ে আছে।
এত দিন গাছের কাছে না গেলে এমন ই হয়।
পরাজয় এর রুক স্যাক ভাড়ি হয়ে ওঠে।
ডালা খুলে দ্যাখো গাছ; চারকোণা কাগজে পরাজিত এর নাম।
তোমার কাছে দাঁড়ালে পলাতক নিজেই জার্সি খুলে রাখে।
অরণ্য.. ;হাত দুটো ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে।
বৃষ্টি দিলে তালুতে পুকুর জমাতে যদি না পারি?
ভয় হয়..
হয় কান্নার আগের ধাপ ও..

15