ওয়েব ডেস্ক,১৯/৯/২০১৮:ছয় বছরের শুখা। তো কী! এ কি দুগগিপুজো যে বরসা পেরোবে ফরসা হবে আকাশ শিউলি ফুটবে আর ঢাক বাজবে। অবশ্যি ঢাক আমরা হর হামেশাই বাজাই। সে অন্য উৎসব অন্য মেলা অন্য খেলা। সে হিসেব আলাদা। নিন্দুকে বলে ঢাকের দায়ে মনসা বিকোয়। ওসব গায়ে মাখি না। দুগগি পুজোয় গান বাজে না – নিন্দুকে যা বলছে বলুক। তাতে তোমার কি আর আমার কি। বয়েই গেল। বছর বছর বিয়োনোর দিব্যি কোথায় কে কেটেছে। ছয় বছর বাদে দিলাম। দিলাম তো। একেবার ছপ্পড় ফাড়কে। একেবারে ঢেলে।
মাস্টার চেয়েছো, দিয়েছি ব্যস। ওখানেই কিসসা খতম। নাইন-টেন সেকশানের বায়ো-সায়েন্স টীচার কি এইচ এস সেকশানের পলিটিক্যাল সায়েন্স পড়াতে পারে না ! ওসব আনসান আমাকে বোঝাতে এস না বাপু। পড়াশোনা আমিও কিছু বুঝি। দুটোই তো সায়েন্স। চেয়েছো আপার প্রাইমারীর সংস্কৃত, পাঠিয়েছি এইচ এসের ফিলসফি। তো কী! সব শিক্ষার মাথায় তো ফিলসফি। বলে না পি এইচ ডি। পি এইচ ডি মানে কী! ডক্টর অফ ফিলসফি। সহজ দর্শন। একেবারে তৃণমূল স্তরের। যে ফিলসফি জানে সে সব জানে। চেয়েছো এস সি অঙ্ক, দিয়েছি ওবিসি ২ ক্যাটেগরির মাস্টার। তো কী। গোলি মারো হান্ড্রেড পয়েন্ট টীচার রোস্টারে। আমি সব বুঝে নেব। আর ক্যান্ডিডেট বুঝবে। স্কুলের অত্ত মাথাব্যথা কিসের। মাস্টার দিচ্ছি, নিয়ে নাও। নইলে পস্তাও। কি একই পোস্টে দুজন টীচার? টীচার ছয় বছর আগে চলে এসেছে আবার ঐ একই মেমোতে আবার টীচার এসেছে? তাতে কী! ফাইনান্সে আটকাবে! এক মেমো নং! ফাইনান্সে আমার দাড়িছাড়া বুড়ো পোষা আছে। একেবারে ক্লীন শেভেন। গলায় স্প্রীং ফিট করে রেখেছি। যা বলি তাতেই ঘাড় নাড়ায় – একেবারে মেলার দাড়িওয়ালা স্প্রীং দেওয়া পুতুলের মত। একই মেমোর পেছনে স্ল্যাশ দিয়ে টু লিখে দেবো। সব লাফড়া ফিনিস।
যা দেবার দিয়ে দিয়েছি। ছয় বছর বাদে দিয়েছি। তো কী! ঢেলে দিয়েছি। হাত চেয়েছো পা দিয়েছি, পিঠ চেয়েছো পেট দিয়েছি, কোমরের বদলে বদলে ঘাড় দিয়েছি। কার ঘাড়ে কটা মাথা দেখি কে কি বলে!
নাকের বদলে নুরুণ দিলুম।
হুঁ হুঁ বাওয়া দিলুম তো

14