ওয়েব ডেস্ক,১৭/৯/২০১৮:শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে বাংলাদেশ ভবন হয়ে উঠেছে কৃষ্টি-সংস্কৃতির অন্যতম পীঠস্থান। গত ২৫শে মে বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে এসে ভারত ও বাংলাদেশের দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে হয়েছে এর দ্বারোদ্ঘাটন। কিন্তু কিছু বিষয়ে সংশয় থাকায় বিলম্ব হচ্ছিল এই ভবনের দরজা সকলের জন্য খুলে দেওয়া নিয়ে। গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বভারতীর প্রতিনিধিদের মধ্যে হওয়া বৈঠক থেকে অনেকটাই দূর হয় সেই সংশয়। সেদিনই যৌথভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল যে সেপ্টেম্বর মাসেই খুলে দেওয়া হবে ভবনের দরজা। কিন্তু সংশয় ছিল অনেকগুলি বিষয়ে। যেমন নির্মাণজনিত বেশ কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছিল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁট করার ক্ষেত্রে খামতি ছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই সংগ্রহশালায় কী নেওয়া যাবে যে কারোর দান? যাই হোক বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্ত কাজ এখনও সম্পূর্ণ করা যায়নি। তবে মানুষের কৌতূহলের কথা মাথায় রেখেই পূর্ব অঙ্গীকার মতো খুলে দেওয়া হচ্ছে ভবন। ধীরে ধীরে বাকি থাকা কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। বাংলাদেশ ভবনের মুখ্য সমন্বায়ক অধ্যাপক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘‘১৮ই সেপ্টেম্বর থেকে সকাল দশটা হতে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য খোলা থাকবে বাংলাদেশ ভবন। বুধ ও বৃহস্পতিবার এবং অন্যান্য ছুটির দিনগুলি বন্ধ থাকবে ভবনের দরজা। বাংলাদেশ ভবন নিয়ে মানুষের কৌতূহল রয়েছে ব্যাপক। তাই আগের অঙ্গীকার অনুযায়ী সেপ্টেম্বরে সর্বসাধারণের জন্য প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়া হবে। ভবন, মিউজিয়াম, লাইব্রেরি প্রভৃতি ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকরা। তাঁদের সহায়তা করার জন্য বিশ্বভারতীর পক্ষ থেকে একজন পরিদর্শককে ভবনে রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।’’

62