০৫/০৯/১৮, ওয়েবডেস্কঃসম্প্রতি বেড়ে চলা দুর্ঘটনা গুলি যা সেতু,ফ্লাইওভার ইত্যাদির হটাৎ ভেঙ্গে পড়ার সাথে জড়িত,এর সাথে কি জড়িয়ে আছে চটজলদি মেরামতির কাজ সম্পন্ন করে ম্যাজিক দেখানোর প্রবণতা? যে কোনো ধরনের সড়ক পরিবহন জড়িত নির্মাণে গলদ দেখা দিলে প্রথমে একজন নবীন বাস্তুকর এই গলদ মেরামতের আনুমানিক ব্যয় হিসেব করেন,এরপর এই কাজটি বিভিন্ন টেবিল ঘুরে ,বহু সময় ব্যয়ে যখন বাস্তবিকভাবে কাজটি সংগঠনের অনুমতি পায় ,ততদিনে সেই ভাঙা রাস্তা,সেতু,ফ্লাইওভার বা ব্রীজের ক্ষত আরো বেড়ে যায়,মেরামতির কাজটি নির্বাচিত ঠিকাদারের হাতে আসার পর খুব কম সময় থাকে রাস্তা বা আনুসাঙ্গিক মেরামতির কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য। কোনো বিশেষ ব্যাক্তির আসার কথা থাকলে এই মেরামতির কাজগুলো সম্পন্ন হয় আরও দ্রুত ,অনেক সময় রাতারাতি।এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই নির্মাণ মেরামতির গুণগত মান ঠিকঠাক হয় না।বেহালা manton এ মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন উপলক্ষ্যে একরাত ও একদিনের মধ্যে তারাতলা ফ্লাইওভার ও মাঝেরহাট ব্রিজ যা ডায়মন্ড হারবার রোড অবধি বিস্তৃত ,এই মেরামতির কাজটি ছিল রুটিন মাফিক।কয়েকটি বৃষ্টি বিহীন রাত পাওয়াতে এই মেরামতির কাজটি করতে হয়েছে।সুতরাং সহজেই অনুমান করা যায় সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রে জন নিরাপত্তা এই রাজ্যে কতটা বিপন্ন।উন্নয়ন যদি শুধু চটক বাজির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাহলে তার মূল্য এভাবেই সাধারণ মানুষকে চোকাতে হবে বারবার।

14