৩১/০৮/১৮, ওয়েবডেস্ক:দীর্ঘ দিন থেকে চলা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএর দাবিতপ হকের লড়াইএর রায় ঘোষনা করলো হাইকোর্ট। হাইকোর্ট পরিস্কার করে জানিয়ে দিলো ডিএর অধিকার কর্মীদের আইনত অধিকার। ডিএ সরকারের মর্জি নয়,ডিএ আইনি অধিকার, সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য।এই দিন এজলাসে বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ জারি করেন, রোপা আইন অনুযায়ী মহার্ঘভাতা অধিকার দিতে হবে। স্যাটের রায় এদিন খারিজ করে দেয় কোর্ট।

এখন প্রশ্ন হলো, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতার বৈষম্য দূর হবে কীভাবে।এই দিন হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, বেতন বৈষম্যের নিষ্পত্তি করতে হবে স্যাটকে। রাজ্য সরকারের ট্রাইব্যুনালকে অতি সত্ত্বর এই বৈষম্য দূর করতে হবে।

এদিকে যেমন রাজ্যসরকারি কর্মীদের এই ডিএ সংক্রান্ত মামলা ৩৮ বার শুনানি হয়েছে ঠিক তখন ডিএ মামলা চলাকালীন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীদের ডি এ বহুবার বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে রাজ্যসরকারি কর্মী ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএর ফারাক বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০১৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকার যখন ১২৫ শতাংশ হারে ডিএ দিয়েছে, তখন রাজ্য ৭৫ শতাংশ হারে ডি এ দেয়।তখন ঐ বিষয়কে সামনে রেখে রাজ্য প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল বা স্যাটে মামলা করে রাজ্যসরকারি কর্মীদের একটি সংগঠন।

দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই মামলায় একাধিকবার রাজ্যকে ভর্ৎসনা করেছে হাইকোর্ট। প্রতিবারই বার বার প্রশ্ন ওঠে, দেশের অন্য রাজ্যের রাজ্যসরকারি কর্মীদের ডিএর সঙ্গে এ রাজ্যে কর্মরত রাজ্যসরকারি কর্মীদের ডিএ-র ফারাক নিয়েও।

আজকের রায় সরকারি কর্মচারীদের পক্ষে গেলেও এখন দেখার বিষয় রাজ্য সরকার কবে তাদের বকেয়া ডিএ দেয়?

17