২৯/০৮/১৮,ওয়েবডেস্ক: দেশ জুড়ে আক্রান্ত মানবাধিকার কর্মীরা।মঙ্গলবার ও অব্যাহত ছিল গোটা দেশ জুড়ে মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার হওয়ার মত নিন্দনীয় ঘটনা।পুনে পুলিশ এর এই সম্মিলিত ধর পাকর অভিযানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে সাধারণ মানুষ।মঙ্গলবার একই সাথে মুম্বাই,দিল্লী,রাচী, গোয়া হায়দ্রাবাদের সমাজকর্মী,পুরোহিত,লেখক আইনজীবীদের বাড়িতে যথেচ্ছ রেড চালায় পুলিশ।মঙ্গলবার দিনের শেষে গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচ জন সমাজ কর্মীকে যারা নিপীড়িত মানুষের হয়ে লড়ছেন,লিখছেন।এরা হলেন সুধা ভরতরাজ,ভর্ণন গনসেলভস,ভারভারা রাও, গৌতম নাভালখান এবং অরুন ফারিয়া।এদের বিরুদ্ধে আতংকবাদ ছাড়ানো থেকে শুরু করে আরো একগুচ্ছ অভিযোগ আনা হয়েছে।সুধা ভরতরাজ ট্রেড ইউনিয়ন এর নেতা ও আইনজীবী,নাভালখান প্রসিদ্ধ লেখক ও সামাজিক স্বাধীনতা কামী কর্মী,ভারভারা রাও বিখ্যাত তেলেগু কবি ও মার্ক্স পন্থী বুদ্ধিজীবী। এই বছরের গড়ার দিকেডিকে ভীম করেগাও স্মারক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যে FIR করা হয় তারই প্রভাবে এই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের অভিমত।
রাষ্ট্র কি তবে ভয় পেতে শুরু করেছে মেধা ও কলমের ধারকে?প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কে হত্যার ষড়যন্ত্রের নামে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মধ্যে একজন রাফায়েল ডি ল সামনে আনা সাংবাদিক।এবং গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই দলিত আন্দোলনের সাথে যুক্ত। সাধারণের মনে অনেক আশা জাগিয়ে যে রূপকথার রাজপুত্র নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় এসেছিল তার রাজত্বের শেষ কালে এসে জনতা উপলব্ধি করছে যে তারা কতটা প্রতারিত হয়েছে।আ ছ্ছে দিনের স্বপ্নের ফেরিওয়ালার আমলে 2লক্ষ 40 হাজার কোটি টাকার কর্পোরেট ঋণ মুকুব করা হয়েছে আর গ্রেপ্তার হওয়া শিল্পপতির সংখ্যা শূন্য।প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই সামাজিক শোষণের এই গল্পটা পুরোনো হলেও প্রাসঙ্গিক।তাই কি মোদি সরকার ভয় পেয়ে লেলিয়ে দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন কে,গ্রেপ্তার করছে তাদের যাদের কলমের জোরকে ভয় পাই সরকার।হীরক রাজ্যের কয়লা শ্রমিক দের মতো সবাই তো বলতে পারে না যায় যদি যাক প্রাণ, হিরকের রাজা ভগবান। হীরক রাজ্যে সন্দীপ মাস্টার এর মত লোক চিরকাল ই থাকে যাদের জোর দেখা যায় না বটে,তবে অচলায়তন কে নাড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে।তাই তো এত ভয়,এত সাবধানতা দিল্লির মসনদে,না জানি কখন কে বলে ওঠে ” দড়ি ধরে মারো টান, রাজা হবে খান খান “।

71