ইসলামপুর: শিক্ষক তথা ভোটকর্মী রাজ কুমার রায়ের রহস্য মৃত্যুর প্রতিবাদে রাস্তায় নামলো প্রায় চার শতাধিক ভোট কর্মী শিক্ষক, সরকারি কর্মচারী, ব্যাঙ্ক-বীমা কর্মচারীরা। গত ১৬ই মে ইসলামপুর ও রায়গঞ্জে প্রায় একই সময়ে অবস্থান,বিক্ষোভ,ভোট গণনা ও প্রশিক্ষণ বয়কট এবং অবরোধ দিয়ে যে আন্দোলনের জন্ম হয়েছিল তা এভাবেই ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। যেখানে একজন ভোট কর্মীর তথা একজন সৎ ও নিরপরাধ শিক্ষকের মৃত্যুর তদন্তের দাবিতে এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে একাধিক রাজনৈতিক দলের শিক্ষক ও সরকারি কর্মীরা একজোট হয়েছে।

এই ঘটনা এই এলাকায় প্রথম।ভোটকর্মীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপোস নয়। মিছিলের শেষে ইসলামপুর বাস টার্মিনাসে একটি পথ সভায় মিছিলের আয়োজকদের পক্ষ থেকে শিক্ষক গৌতম বর্মন তার বক্তব্যে বলেন , শিক্ষক-ভোটকর্মী রাজকুমার রায় হত্যার নিরপেক্ষ ও বিচারবিভাগীয় তদন্ত চাই, রায়গঞ্জে ১৬ই মে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যেকোনও নির্বাচনে ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে হবে।
মূলত এই সব বিষয়কে সামনে রেখেই ঐক্যবদ্ধ হলো ইসলামপুরের ভোট কর্মী শিক্ষক সহ অন্যান্য সরকারি চাকুরেরা। একটি অরাজনৈতিক সংগঠন “ভোট কর্মী সমন্বয় মঞ্চ”র নেতৃত্বে থাকা তিন যুগ্ম আহ্বায়ক সন্দীপ ভট্টাচার্য্য, সঞ্জয় মানি, প্রশান্ত দাসরা জানান, অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পুলিশি হয়রানী বন্ধ করতে হবে এবং আগামী দিনে সমস্ত নির্বাচনে কেন্দ্রিয় বাহিনী সহ ভোটকর্মীদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দিতে হবে।এই দাবি মানা না হলে আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।এদিনের মৌন মিছিলে উপস্থিত হয়েছিলেন একাধিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহ শিক্ষক ও সরকারি কর্মচারী, ব্যাঙ্ক-বীমা কর্মচারীরা। এছারাও ছাত্র, যুব, মহিলা, সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

18